📌 নীলফামারী সদর উপজেলার মানসিক ভারসাম্যহীন জোবেদা খাতুন (৬৬) নামে এক নারী ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর রাজবাড়ী সদর থানার সহযোগিতায় উদ্ধার হন। ইজিবাইক দুর্ঘটনার পর তাঁর পরিচয় শনাক্ত করে পরিবারের কাছে তুলে দেওয়া হয়
নীলফামারী সদর উপজেলার মানসিক ভারসাম্যহীন এক নারী ১৭ দিন নিখোঁজ থাকার পর রাজবাড়ী সদর থানার সহযোগিতায় উদ্ধার হন। গতকাল শনিবার রাতে রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জোবেদা খাতুনকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের কাছে তুলে দেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জোবেদা খাতুন (৬৬) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন নারী ১৭ দিন নিখোঁজ ছিলেন।
- 📌 রাজবাড়ী সদর থানার পুলিশ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে তুলে দেয়।
- 📌 গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজবাড়ী পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে ইজিবাইক দুর্ঘটনায় তিনি আহত হন।
- 📌 তাঁর পরিচয় শনাক্ত করতে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য ব্যবহার করা হয়।
📰 বিস্তারিত
জোবেদা খাতুন নীলফামারী সদর উপজেলার নীলফামারী বাজার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়ারেছিপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন বলে জানিয়েছেন তাঁর পরিবার। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজবাড়ী পৌরসভা কার্যালয়ের সামনের সড়ক দিয়ে হাঁটার সময় একটি ব্যাটারিচালিত ইজিবাইকের ধাক্কায় তিনি সড়কে পড়ে আহত হন। স্থানীয় লোকজন ও ইজিবাইকচালকের সহযোগিতায় সদর থানার পুলিশ তাঁকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে নিয়ে যায়।
হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার পর তাঁকে মহিলা সার্জারি ওয়ার্ডে ভর্তি রাখা হয়। তাঁর ঠোঁটে সেলাই দেওয়া হয়। কিন্তু কথা বলতে না পারায় এবং মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন হওয়ায় তাঁর পরিচয় জানা যাচ্ছিল না। বিষয়টি জানার পর পুলিশ সুপারের নির্দেশে গতকাল সকালে ফরিদপুর থেকে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল রাজবাড়ীতে আসে। তারা জোবেদা খাতুনের আঙুলের ছাপ নেয়। সেই ছাপের ভিত্তিতে জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্য পাওয়া যায়।
এতে জানা যায়, তাঁর বাড়ি নীলফামারীতে। পরে এনআইডির সঙ্গে নিবন্ধিত মুঠোফোন নম্বরের তথ্য সংগ্রহ করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশ। তখন তাঁর পরিচয় নিশ্চিত হয়। ইজিবাইকচালকের সহযোগিতায় আহত নারীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বলে জানান রাজবাড়ী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উত্তম কুমার ঘোষ। তিনি বলেন, চিকিৎসার পাশাপাশি ইজিবাইকচালক ও পুলিশ তাঁর ওষুধের ব্যবস্থা করে। পরে ওই নারীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়।
‘কয়েক মাস আগে মা স্ট্রোক করার পর শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে যায়। এরপর তিনি অনেকটা মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেন। ১৭ দিন আগে সবার অজান্তে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তাঁকে আর পাওয়া যাচ্ছিল না। শনিবার দুপুরে রাজবাড়ী সদর থানার ওসি স্যার ফোন করে জানালে আমরা চলে আসি। অনেক দিন পর মাকে খুঁজে পেয়েছি, আল্লাহর কাছে শুকরিয়া।’
পরিবারের সদস্যরা এসে তাঁকে শনাক্ত করেন। পুলিশ জানায়, জোবেদা খাতুনের এক ছেলে নীলফামারী পুলিশ লাইনসের মেসে কাজ করেন। আরেক ছেলে চাকরি করেন সাভারে। সাভারে থাকা ছেলে গতকাল রাতে রাজবাড়ীতে পৌঁছান। রাত নয়টার দিকে জোবেদা খাতুনকে ছেলের কাছে তুলে দেওয়া হয়।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী সদর থানা ও হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জোবেদা খাতুন (৬৬), উত্তম কুমার ঘোষ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ দিন, ৬৬ বছর, ৯ নম্বর ওয়ার্ড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!