📌 নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে অবৈধভাবে নদীর চর কেটে বালু বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযানে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা মারমুখী আচরণের মুখোমুখি হন। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে চাড়ালকাটা নদীর চর কেটে বালু বিক্রির বিরুদ্ধে অভিযানে গিয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশ সদস্যরা মারমুখী আচরণের সম্মুখীন হন। এ ঘটনায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল গফুর।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 অবৈধ বালু উত্তোলন ঠেকাতে অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা জামান তন্বীর নেতৃত্বে পুলিশ সদস্যরা অংশ নেন
- 📌 অভিযুক্ত ব্যক্তিরা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে বৈধ কাগজপত্র দেখাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে মারমুখী হয়ে ওঠেন
- 📌 অভিযানের সময় একটি বালু বহনকারী ট্রাক্টর আটক করা হয়
- 📌 আসামিদের মধ্যে রয়েছেন জাহেদুল ইসলাম, স্বপন ইসলাম, পারভেজ ইসলাম, আরব আলী ও সুমন ইসলাম
- 📌 অভিযানের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার কারণে মামলা দায়ের করা হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাহাগিলী ইউনিয়নে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে চাড়ালকাটা নদীর চর কেটে বালু বিক্রির ঘটনা ঘটছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। গত বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা জামান তন্বী, বাহাগিলী ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপসহকারী কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম এবং পুলিশ সদস্যরা অভিযানে অংশ নেন। অভিযানের সময় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কাছে বালু বিক্রির বৈধ কাগজপত্র দেখতে চাইলে তারা গালাগালি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে পালিয়ে যান। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট একটি বালু বহনকারী ট্রাক্টর আটক করেন।
এ বিষয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) তনিমা জামান তন্বী বলেন, ‘নদীর চর কেটে বালু বিক্রির কারণে নদীভাঙন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। অভিযানে গিয়ে আমাদের মারমুখী আচরণ ও বাধার সম্মুখীন হতে হয়েছে।’ তিনি আরও জানান, অভিযানের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার কারণে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল গফুর বলেন, বিষয়টি নিয়ে একটি মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জাহেদুল ইসলাম (৫৫), স্বপন ইসলাম (৩০), পারভেজ ইসলাম (৪০), আরব আলী (৪৫) ও সুমন ইসলাম (৩৫)।
‘নদীর চর কেটে বালু বিক্রি করার কারণে নদীভাঙন, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের মারাত্মক ক্ষতি হয়। অভিযানে গেলে আমাদের মারমুখী আচরণ, ভয়ভীতি দেখানো হয়েছে এবং বাধা দেওয়া হয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কিশোরগঞ্জ, নীলফামারী
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তনিমা জামান তন্বী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ জন
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!