📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ২:২৫ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনার গ্রামে মানবিকতার দৃষ্টান্ত: স্ত্রীর ওমরাহ সঞ্চয় দিয়ে স্বামীর রাস্তা সংস্কার

খুলনার গ্রামে মানবিকতার দৃষ্টান্ত: স্ত্রীর ওমরাহ সঞ্চয় দিয়ে স্বামীর রাস্তা সংস্কার

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কেয়াখালী গ্রামে ৫৬ বছরের পুরোনো অবহেলিত রাস্তা সংস্কার করেছেন স্বামী হাফেজ ওয়াহিদুজ্জামান। স্ত্রীর ওমরাহ পালনের সঞ্চয় দিয়ে তিনি নিজ অর্থায়নে ১৫০ ফুট সড়কে ইট বিছানোর মাধ্যমে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব করেছেন

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের কেয়াখালী গ্রামে নিজ অর্থায়নে ৫৬ বছরের পুরোনো অবহেলিত রাস্তা সংস্কার করেছেন হাফেজ মো. ওয়াহিদুজ্জামান। স্ত্রীর ওমরাহ পালনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চয় করা অর্থ দিয়ে তিনি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ দূর করেছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার কেয়াখালী গ্রামের ৫৬ বছরের পুরোনো রাস্তা সংস্কার করেছেন হাফেজ মো. ওয়াহিদুজ্জামান
  • 📌 স্ত্রীর ওমরাহ পালনের জন্য সঞ্চয় করা অর্থ দিয়ে নিজ উদ্যোগে রাস্তা সংস্কার
  • 📌 ১৫০ ফুট দীর্ঘ সড়কে ইট বিছিয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন
  • 📌 সংস্কারকাজ শেষ হয়েছে গত ২০ আগস্ট
  • 📌 করোনাকালীন সময়েও মানবসেবায় নেতৃত্ব দিয়ে প্রশংসিত হন ওয়াহিদুজ্জামান

📰 বিস্তারিত

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার শরাফপুর ইউনিয়নের কেয়াখালী গ্রামের ১ নম্বর ওয়ার্ডের অবহেলিত রাস্তাটি স্বাধীনতার পর থেকেই সংস্কারের অপেক্ষায় ছিল। স্বামী হাফেজ মো. ওয়াহিদুজ্জামান স্ত্রীর ওমরাহ পালনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে সঞ্চয় করা অর্থ দিয়ে নিজ উদ্যোগে এই রাস্তার সংস্কার করেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে গত ২০ আগস্ট তিনি এই কাজ সম্পন্ন করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতার পর থেকে প্রায় ৫৬ বছর ধরে এই রাস্তাটি সংস্কারের অভাবে কাদা ও পানিতে তলিয়ে যেত। ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, বৃদ্ধ ও রোগীদের চলাচলে মারাত্মক ভোগান্তি হতো। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে বারবার আবেদন করেও কোনো স্থায়ী সমাধান না পেয়ে গ্রামবাসী দীর্ঘদিন ধরে এই দুর্ভোগ সহ্য করছিলেন।

এই দুর্দশা দেখে মানবিকতার উদাহরণ স্থাপন করেন হাফেজ ওয়াহিদুজ্জামান। তিনি স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে জানতে পারেন যে স্ত্রী পবিত্র ওমরাহ পালনের জন্য অর্থ সঞ্চয় করছেন। স্ত্রীর কাছ থেকে সেই অর্থ নিয়ে তিনি রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু করেন। স্ত্রীর স্বপ্নের জন্য জমানো পুরো অর্থ স্বামীর হাতে তুলে দেন তিনি।

"মানুষের সেবা করাও ইবাদতের একটি অংশ। আমার স্ত্রীর পবিত্র ওমরাহ পালনের প্রবল ইচ্ছে ছিল। কিন্তু গ্রামের শত শত মানুষের প্রতিদিনের এই চরম কষ্ট দেখে মনে হলো, আগে তাদের দুর্ভোগ দূর করা জরুরি। আল্লাহ তাওফিক দিয়েছেন বলেই স্ত্রীর জমানো টাকায় কাজটি শেষ করতে পেরেছি।"

স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিনের কাদা-পানির দুর্ভোগ থেকে রাস্তাটি সংস্কারের পর তারা স্বস্তি পেয়েছেন। বিশেষ করে বর্ষাকালে শিক্ষার্থী ও রোগীদের চলাচলে যে ভোগান্তি হতো, তা অনেকটাই কমবে বলে আশা করছেন তারা।

হাফেজ মো. ওয়াহিদুজ্জামানের মানবসেবার এটি প্রথম উদ্যোগ নয়। বৈশ্বিক মহামারি করোনার সময়েও তিনি মানবতার সেবায় এগিয়ে এসেছিলেন। তার নেতৃত্বে গঠিত বিশেষ ‘দাফন টিম’ খুলনা বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় করোনায় মৃত্যুবরণ করা প্রায় দুই শতাধিক মানুষের মরদেহ দাফন ও সৎকারের কাজ করে। ঝুঁকিপূর্ণ ওই সময়ে মানবিক এই উদ্যোগের জন্য তিনি সর্বস্তরের মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছেন।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কেয়াখালী গ্রাম, শরাফপুর ইউনিয়ন, ডুমুরিয়া উপজেলা, খুলনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফেজ মো. ওয়াহিদুজ্জামান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৬ বছর, ১৫০ ফুট, ২০ আগস্ট

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖