📌 নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর কারণে নিজের ১৪ দিন বয়সি শিশুকে প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর তাকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর কারণে নিজের ১৪ দিন বয়সি শিশুকে প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নবজাতকের মা ফাতেমা বেগমকে (১৯) পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে
- 📌 ঘটনাটি ঘটে ১৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে
- 📌 শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয় বৃষ্টির পানি রাখার প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে
- 📌 ফাতেমা স্বীকার করেছেন, শিশুটির ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর কারণে তাকে ড্রামে ফেলে দিয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর কারণে নিজের ১৪ দিন বয়সি শিশুকে প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে হত্যার অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার এক মায়ের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
বেগমগঞ্জ থানার ওসি মো. শামসুজ্জামান জানান, ঘটনাটি ঘটে গত সোমবার (১৭ আগস্ট) রাত ১০টার দিকে উপজেলার মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের মজুমদারহাট সংলগ্ন বাজার এলাকার এক বাড়িতে। নিহত শিশুটি ওই বাড়ির সৌরভ হোসেনের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের নভেম্বরে প্রেমের সম্পর্কের পর সৌরভের সঙ্গে ফাতেমা বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। সোমবার সন্ধ্যা থেকে শিশুটি নিখোঁজ হলে পরিবারের সদস্যরা ফাতেমাকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন। প্রথমে তিনি দাবি করেন, পেছন থেকে মাথায় আঘাত করে কেউ শিশুটিকে নিয়ে গেছে। পরে তিনি বলেন, জিনে নিয়ে গেছে। এতে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়।
খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে রাত ১০টার দিকে ঘরে থাকা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ফাতেমা স্বীকার করেন যে, শিশুটির ঘুমের ব্যাঘাত ঘটানোর কারণে তিনি তাকে ড্রামের পানিতে ফেলে দিয়েছিলেন।
"শিশুটি প্রচণ্ড কান্নাকাটি করতো, ঘুমাতে চাইত না এবং তাকে ঘুমাতে দিত না। এ কারণেই তাকে প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে দিয়েছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মিরওয়ারিশপুর ইউনিয়ন, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফাতেমা বেগম (১৯), ওসি মো. শামসুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ দিন বয়সি শিশু, ১৭ আগস্ট রাত ১০টা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!