📌 নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও পূর্বধলা উপজেলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে আটক করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে এই মিছিল আয়োজন করা হয়েছিল
নেত্রকোনার কেন্দুয়া ও পূর্বধলা উপজেলায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ঝটিকা মিছিল আয়োজন ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার অভিযোগে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৯ জনকে আটক করেছে। ভোরে পৃথক অভিযানে কেন্দুয়া উপজেলায় পাঁচজন এবং পূর্বধলা উপজেলায় চৌদ্দজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুল ইসলাম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কেন্দুয়া উপজেলায় ছাত্রলীগের মিছিল প্রস্তুতির সময় পাঁচজনকে আটক করে পুলিশ
- 📌 পূর্বধলা উপজেলায় ঝটিকা মিছিলের অভিযোগে চৌদ্দজনকে গ্রেপ্তার
- 📌 আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সদস্য মারুফ হোসেন মুন্নাসহ নেতাকর্মীরা
- 📌 পূর্বধলা থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের, আসামি করা হয়েছে ৫০ জনকে
📰 বিস্তারিত
কেন্দুয়া উপজেলায় ভোর ৫টা ৫০ মিনিটে ইটখলা সংলগ্ন মহাসড়ক থেকে পাঁচজনকে আটক করা হয়। তাঁদের ব্যবহৃত দুটি মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা হলেন রাকিব রায়হান (৪২), রবিন মিয়া (২৭), বিপ্লব হাসান (২৭), বাবু মিয়া (২৯) ও মাহমুদুল হাসান (২০)। কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম জানান, মিছিল প্রস্তুতির সময় তাঁদের আটক করা হয়েছে।
পূর্বধলা উপজেলায় ভোর ৬টার দিকে খলিশাউড় ইউনিয়নের পাবই এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিকের সামনে কয়েকজন ব্যক্তি মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হন। স্থানীয় গ্রাম পুলিশের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে ব্যক্তিরা মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে শ্যামগঞ্জ তদন্ত কেন্দ্র ও পূর্বধলা থানার পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৩ জনকে আটক করে। পরবর্তী তদন্তে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশের অভিযোগ, জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা ও মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এই মিছিল আয়োজন করা হয়েছিল। পূর্বধলা থানার এসআই মোহাম্মদ তাইজুল ইসলাম বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করেছেন। মামলায় ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের ২৫ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও ২৫ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
"জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করা এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে আয়োজিত এই মিছিলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।"
পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং মামলার প্রধান আসামি দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহসভাপতি মো. মিজানুর রহমানকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এখন পর্যন্ত দুজনকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া ও পূর্বধলা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হাফিজুল ইসলাম, মিজানুর রহমান, মারুফ হোসেন মুন্না
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯ জন আটক, ৫০ জন আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!