📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ১১:২৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিদ্যুৎ সংকটে ভয়াবহ লোডশেডিং: রাজধানীসহ দেশজুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন

বিদ্যুৎ সংকটে ভয়াবহ লোডশেডিং: রাজধানীসহ দেশজুড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বিদ্যুৎ উৎপাদনে তীব্র ঘাটতির কারণে দেশজুড়ে অসহনীয় লোডশেডিং পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দিনে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা থেকে সন্ধ্যায় অন্ধকার নেমে আসছে। পিডিবির তথ্যমতে, সর্বোচ্চ ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট

বিদ্যুৎ উৎপাদনে তীব্র ঘাটতির কারণে দেশজুড়ে অসহনীয় লোডশেডিং পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ভাদ্র মাসের শুরু থেকেই বিদ্যুতের ঘাটতি বাড়তে শুরু করে। আগস্টের শুরুতে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট ঘাটতি দেখা দেয়। রোববার বিকেল ৪টার দিকে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ ছিল ৩ হাজার ৬৩৯ মেগাওয়াট। এর আগে ৯ আগস্ট রাত ১টায় সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট ঘাটতি রেকর্ড করা হয়।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিদ্যুৎ উৎপাদনে ঘাটতি বেড়ে সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াটে পৌঁছেছে
  • 📌 দিনে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা থেকে সন্ধ্যায় অন্ধকার নেমে আসছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়
  • 📌 গ্যাস ও কয়লার সংকটে বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে
  • 📌 পিডিবির তথ্যমতে, গড়ে দুই থেকে আড়াই হাজার মেগাওয়াট ঘাটতি থাকছে
  • 📌 রাজধানীর বনশ্রী, খিলগাঁও, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎবিহীন থাকছে

📰 বিস্তারিত

পিডিবির পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আজ দুপুর ১২টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ২৭৮ মেগাওয়াট। সে সময় সরবরাহ ছিল মাত্র ১২ হাজার ৬৮৮ মেগাওয়াট। ফলে ঘাটতি দাঁড়ায় ৩ হাজার ৫৯০ মেগাওয়াট। বিকেল ৪টার দিকে লোডশেডিং বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৬৩৯ মেগাওয়াট। সন্ধ্যা ৬টায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কিছুটা বেড়ে ১২ হাজার ৮৫৪ মেগাওয়াট হলেও লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৫৩৯ মেগাওয়াট।

পিডিবির কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস সংকটের কারণে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকেও আশানুরূপ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সরকারি-বেসরকারি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের একজন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, গত এক সপ্তাহে তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর জন্য ২০ হাজার টন ফার্নেস তেল সরবরাহ করা হয়েছে।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় দিনে তিন-চারবার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। একেকবার গেলে এক ঘণ্টার আগে ফিরছে না। রাজধানীর বনশ্রী, খিলগাঁও, মিরপুর, মোহাম্মদপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সন্ধ্যার পরপরই বিদ্যুৎ চলে যায়। ফলে নগরের অনেক এলাকায় ভুতুড়ে অন্ধকার নেমে আসে।

"গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না। কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকেও আশানুরূপ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে সরকারি-বেসরকারি তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন বাড়ানোয় জোর দেওয়া হচ্ছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চট্টগ্রাম, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: পিডিবির কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট (সর্বোচ্চ ঘাটতি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖