📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৬:১৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

নেপালের ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার পাঁচ বছরের শিশু, মিলল মা-বাবার সঙ্গে

নেপালের ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার পাঁচ বছরের শিশু, মিলল মা-বাবার সঙ্গে

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 নেপালে ভয়াবহ বন্যার ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার হয়েছে পাঁচ বছরের শিশু মনীষাকে। দুই দিন পর উদ্ধার হওয়া শিশুটি হাসপাতালে তার মা-বাবার সঙ্গে পুনর্মিলিত হয়েছে

নেপালের রুস্বা জেলার স্যাব্রুবেশি এলাকায় ভয়াবহ বন্যার ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচ বছরের শিশু মনীষাকে। দুই দিন পর উদ্ধারের পর শিশুটি হাসপাতালে তার মা-বাবার সঙ্গে পুনর্মিলিত হয়েছে। কাঠমান্ডুর টিচিং হাসপাতালের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মনীষার শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 নেপালের ভয়াবহ বন্যার ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার পাঁচ বছরের শিশু মনীষা
  • 📌 উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া উদ্ধারকর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বিড়ালের মতো ক্ষীণ শব্দ শুনতে পান
  • 📌 প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়
  • 📌 বৈরী আবহাওয়ার কারণে প্রাথমিকভাবে হেলিকপ্টার উদ্ধার সম্ভব হয়নি
  • 📌 উদ্ধারের পর শিশুটিকে ভাতের মাড় খাওয়ানো হয় এবং পরে হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়
  • 📌 হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটি তার মা-বাবার সঙ্গে পুনর্মিলিত হয়েছে

📰 বিস্তারিত

গত শুক্রবার নেপালের রুস্বা জেলার স্যাব্রুবেশি এলাকায় ভয়াবহ বন্যার ধ্বংসস্তূপ থেকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে পাঁচ বছরের শিশু মনীষাকে। উদ্ধার অভিযানে অংশ নেওয়া কর্মীরা ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে বিড়ালের মতো ক্ষীণ শব্দ শুনতে পান। পরে সেখানে তল্লাশি শুরু করলে তারা শিশুটিকে দেখতে পান। নেপালের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা সানজু খাত্রি জানান, শব্দের উৎস খুঁজতে দলটি ধ্বংসস্তূপ সরাতে শুরু করে। একপর্যায়ে তারা সেখানে আটকে থাকা পাঁচ বছরের মনীষাকে দেখতে পায়।

শিশুটিকে ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে আনতে প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে। উদ্ধারের সময় মনীষা জীবিত থাকলেও প্রায় অচেতন অবস্থায় ছিল। উদ্ধারকারীরা তাকে দ্রুত সরিয়ে নিতে হেলিকপ্টারের সহায়তা চেয়েছিলেন। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে সে সময় তাকে সেখান থেকে উড়িয়ে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পরে উদ্ধারকারী দল মনীষাকে তাদের উদ্ধারশিবিরে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে পানি পান করানো হয়। কিছুক্ষণ পর তার জ্ঞান ফিরলে তাকে ভাতের মাড় খাওয়ানো শুরু করেন উদ্ধারকারীরা, যাতে ধীরে ধীরে তার শক্তি ফিরে আসে।

ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কারণে শিশুটি মানসিকভাবে ভীষণভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। তবে গতকাল শনিবার বিকেলে তাকে হেলিকপ্টারে করে কাঠমান্ডুর টিচিং হাসপাতালের শিশু জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। আজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, মনীষা এখন ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ পর্যন্ত সে তার মা-বাবাকেও ফিরে পেয়েছে।

"ভয়াবহ অভিজ্ঞতার কারণে শিশুটি মানসিকভাবে ভীষণভাবে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। তবে দ্রুত চিকিৎসা ও সহায়তার কারণে সে ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রুস্বা জেলা, স্যাব্রুবেশি এলাকা, নেপাল
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনীষা (৫ বছর), সানজু খাত্রি (সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর কর্মকর্তা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖