📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে বলেন, ক্ষমতাবান অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি ফ্যাসিবাদী অতীতের গুম সংস্কৃতির অবসান চান এবং গুমের শিকারদের পরিবারের পুনর্বাসনে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তুলে ধরেন
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে, তা সে যত ক্ষমতাবানই হোক না কেন। তিনি আজ রোববার বেলা ১১টায় রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানান, ক্ষমতাবান অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে
- 📌 তিনি বলেন, ‘আয়নাঘর’ সংস্কৃতি নির্মূল করে দেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করতে হবে
- 📌 গুমের শিকার পরিবারগুলোর পুনর্বাসনে রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান
- 📌 বিগত দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী সরকারের গুম সংস্কৃতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান
- 📌 তিনি গুমের শিকার ইলিয়াস আলী, চৌধুরী আলম, সাজেদুল ইসলামসহ অসংখ্য ব্যক্তির নাম স্মরণ করেন
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘এই স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো ‘আয়নাঘর’ থাকবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে।’ তিনি উল্লেখ করেন, গুম শুধু মানুষকে কেড়ে নেয় না, কেড়ে নেয় প্রিয়জনের স্বপ্ন, শান্তি ও সামাজিক স্বস্তি।
তিনি বলেন, বিগত দেড় দশকে ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে গুম, গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’ বাংলাদেশের বুকে চেপে বসেছিল। যাঁরা অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন, তাঁদের স্তব্ধ করতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এই অপরাধকে অস্বীকার করেছে।
রাষ্ট্রপতি আরও বলেন, ‘নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ফ্যাসিবাদ পালাতে বাধ্য হয়েছে। এখন প্রতিশোধ নয়, প্রতিকারের ব্যবস্থা নিতে হবে।’ তিনি গুমের শিকার পরিবারগুলোর মর্যাদা, সামাজিক নিরাপত্তা ও পুনর্বাসনের দাবি জানান।
"আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই, যেখানে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থাকবে না। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, কিন্তু ভয়ের সংস্কৃতি থাকবে না। আইনশৃঙ্খলা থাকবে, কিন্তু আইনের নামে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সুযোগ থাকবে না। রাষ্ট্রের ক্ষমতা থাকবে, কিন্তু সেই ক্ষমতার ওপর থাকবে সংবিধান ও আইনের নিয়ন্ত্রণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দেড় দশক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!