📌 গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য আহ্বায়কদের উদ্যোগে ১১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় সাংস্কৃতিক কর্মীদের জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর এই কনভেনশনের লক্ষ্য সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে শক্তিশালী করা এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা
১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কর্মীদের ঐক্য ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্য আহ্বায়কদের উদ্যোগে জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা হলেই দিনব্যাপী এই ঐতিহাসিক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে। ‘কণ্ঠে মোদের কুণ্ঠাবিহীন নিত্য-কালের ডাক’ এই স্লোগানে অনুষ্ঠিত এই কনভেনশনে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে লেখক, কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা অংশ নেবেন বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১১ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালায় সাংস্কৃতিক কর্মীদের জাতীয় কনভেনশন অনুষ্ঠিত হবে।
- 📌 কনভেনশনের লক্ষ্য: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে শক্তিশালী করা এবং শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজ গড়ে তোলা।
- 📌 ৩১টি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের যৌথ প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকে শুরু করে গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের গতি অব্যাহত রয়েছে।
- 📌 ২০ জুলাই কারফিউ ভাঙার গানের মিছিল থেকে শুরু করে ৩০ জুলাই রাজপথে গানের কর্মসূচি পর্যন্ত সাংস্কৃতিক মোর্চার বিভিন্ন সক্রিয়তা উল্লেখ করা হয়েছে।
- 📌 কনভেনশনের উদ্বোধন করবেন লেখক ও সাংবাদিক নূরুল কবীর।
- 📌 উদ্বোধনী অধিবেশনে অতিথি হিসেবে থাকবেন দীপা দত্ত (উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের কেন্দ্রীয় ছাত্রনেতা), আনু মুহাম্মদ (লেখক-অর্থনীতিবিদ) ও আবুল সরকার (কারাবরণকারী বাউলশিল্পী)।
📰 বিস্তারিত
গণতান্ত্রিক সাংস্কৃতিক ঐক্যের উদ্যোগে এই কনভেনশন আয়োজনের লক্ষ্য সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সমৃদ্ধ ও সংগ্রামী ধারাকে রক্ষা ও বিকশিত করা। বর্তমান দেশের বাস্তবতা ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরিপ্রেক্ষিতে এই কনভেনশন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রের মৌলিক পরিবর্তন ছাড়া শোষণ-বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। এজন্য সর্বব্যাপী সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তোলার প্রয়োজন রয়েছে।
সংস্কৃতিকর্মীদের ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে বক্তারা উল্লেখ করেছেন, দেশের সংস্কৃতিকর্মীদের দীর্ঘ সংগ্রামের ইতিহাস রয়েছে। অতীতের সেই সংগ্রামী ভূমিকা ও গৌরব পুনরুদ্ধার করে জনগণের পক্ষে সাংস্কৃতিক আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। বর্তমান সময়ের বিভ্রান্তি ও প্রতিকূলতা অতিক্রম করে ব্যাপক ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংস্কৃতিক লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে গণসংস্কৃতি কেন্দ্রের উপদেষ্টা জাকির হোসেন, চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, সমাজ অনুশীলন কেন্দ্রের সমন্বয়ক বিমল কান্তি দাশ এবং সমাজ চিন্তা ফোরামের রঞ্জন দাশ শিবু বক্তব্য দিয়েছেন।
"মুক্ত গণমাধ্যম, মুক্তচিন্তা ও সংস্কৃতিচর্চার শঙ্কাহীন পরিবেশ এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হয়নি। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বাধা, মব সন্ত্রাস, নারী ও আদিবাসীদের ওপর নিপীড়ন এবং স্বাধীন মতপ্রকাশ ও সংস্কৃতির ওপর আক্রমণের ঘটনাও উল্লেখযোগ্য।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, জাতীয় নাট্যশালা, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মফিজুর রহমান লালটু (সদস্যসচিব), জামসেদ আনোয়ার তপন (আহ্বায়ক), নূরুল কবীর (উদ্বোধনকারী), দীপা দত্ত, আনু মুহাম্মদ, আবুল সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ সেপ্টেম্বর, ৩১টি সংগঠন, ২০ জুলাই, ২৬ জুলাই, ৩০ জুলাই, ২ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!