📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ময়মনসিংহের মাদ্রাসায় সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

ময়মনসিংহের মাদ্রাসায় সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগে তদন্ত কমিটি গঠন

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের গৌরীপুরের একটি মাদ্রাসায় সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায় বইগুলো হ্যান্ডট্রলিতে তুলে নেওয়া হচ্ছে

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নের পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসায় সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে উপজেলা প্রশাসন। কমিটিকে আগামী সাত কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির অভিযোগে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
  • 📌 তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময়সীমা আগামী সাত কার্যদিবস
  • 📌 সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায় বইগুলো হ্যান্ডট্রলিতে তুলে নেওয়া হচ্ছে
  • 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, অধ্যক্ষ পুরাতন বই বিক্রি করেছেন বলে

📰 বিস্তারিত

উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফিয়া আমিন পাপ্পা সোমবার (২৪ আগস্ট) তদন্ত কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসাটি উপজেলার রামগোপালপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মাদ্রাসার সরকারি পাঠ্যবই বিক্রির একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। ভিডিওতে দেখা যায়, মাদ্রাসার মাঠে সরকারি পাঠ্যবইগুলো হ্যান্ডট্রলিতে বোঝাই করা হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ রয়েছে যে, মাদ্রাসার অধ্যক্ষ গত বছরের পুরাতন বই বিক্রি করে দিয়েছেন।

ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা হ্যান্ডট্রলির সামনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কেউ মোবাইলে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। হ্যান্ডট্রলিতে প্রায় দশ হাজার সরকারি পাঠ্যবই বোঝাই করে নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

পুম্বাইল ফজলুল উলুম ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল আলী খান দাবি করেন, ‘বই বিক্রির অভিযোগ সত্য নয়। মাদ্রাসায় এখনো ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের অব্যবহৃত সরকারি পাঠ্যবই রয়ে গেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি আমাদের মাদ্রাসার মতো হলেও এটি আমাদের মাদ্রাসার কি না তা নিশ্চিত নই।’

‘ওই ভিডিও দেখার পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ বলেছেন এ বছর কোনো বই বিক্রি হয়নি। আর সরকারি বই বিক্রির সঠিক নিয়মটা এ মুহূর্তে আমি বলতে পারছি না। যেহেতু বই বিক্রির ঘটনায় তদন্ত কমিটি হয়েছে। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উঠে আসবে।’ — উপজেলা ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: গৌরীপুর, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আফিয়া আমিন পাপ্পা, আব্দুল আলী খান, মোস্তাফিজুর রহমান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় দশ হাজার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖