📌 ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে দুটি বাণিজ্যিক মৎস্য প্রকল্পের ৯২ লাখ টাকা ভূমি কর বকেয়া রয়েছে। প্রকল্পের মালিকপক্ষ অজ্ঞাত থাকায় কর আদায়ে বাধা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় ভূমি প্রশাসন নোটিশ জারি করেছে, কিন্তু প্রকল্পের সুনির্দিষ্ট মালিকদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলায় দুটি বাণিজ্যিক মৎস্য প্রকল্পের ৯২ লাখ ২২ হাজার টাকা ভূমি উন্নয়ন কর বকেয়া থাকার তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কর পরিশোধ না করায় উপজেলা ভূমি প্রশাসন প্রকল্প এলাকায় কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করেছে। তবে প্রকল্প দুটির মালিকপক্ষের পরিচয় না থাকায় কর আদায়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে ‘বাউশী ফিশারিজ’ ও ‘নাগলা ফিশারিজ’ প্রকল্পের ৯২ লাখ ২২ হাজার টাকা ভূমি কর বকেয়া
- 📌 প্রকল্প দুটির মালিকপক্ষের পরিচয় অজ্ঞাত থাকায় কর আদায়ে বাধা সৃষ্টি
- 📌 ১০২ দশমিক ৩ একর জমি ব্যবহৃত হচ্ছে বাণিজ্যিক মৎস্য চাষে
- 📌 ২০১০ সালের পর থেকে কর পরিশোধ করা হয়নি
- 📌 ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুর রহমান শফিক মালিকপক্ষের দাবি অস্বীকার করেছেন
📰 বিস্তারিত
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার স্বদেশী ইউনিয়নে ২০০৩ সালে ঢাকা ও জামালপুরের ব্যবসায়ীদের উদ্যোগে ‘বাউশী ফিশারিজ’ ও ‘নাগলা ফিশারিজ’ প্রকল্প শুরু হয়েছিল। প্রকল্প দুটির আওতায় প্রায় ১০২ দশমিক ৩ একর জমি বাণিজ্যিক মৎস্য চাষে ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে ২০১০ সালের পর থেকে কর পরিশোধ করা হয়নি। বর্তমানে ৬৯ একর জমির বিপরীতে ৮৫ লাখ ১৫ হাজার ৬৯৩ টাকা এবং ৭ দশমিক ৬৪৫ একর জমির বিপরীতে ৭ লাখ ৬ হাজার ৮১০ টাকা বকেয়া রয়েছে।
প্রকল্প দুটির ব্যবস্থাপনা পরিচালনা করছেন ইউপি চেয়ারম্যান মো. শফিকুর রহমান শফিকের ভাতিজা চঞ্চল মিয়া ও ম্যানেজার নয়ন। স্থানীয় বাসিন্দা বুরুজ আলী জানান, জমি ক্রয় থেকে শুরু করে সব কার্যক্রম শফিক চেয়ারম্যানের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়েছে। তবে শফিক চেয়ারম্যান দাবি করেছেন, তিনি প্রকল্পের মালিক নয়। তিনি বলেন, ‘মালিকপক্ষ বিদেশে থাকেন। আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম, তখন সব কর পরিশোধ করা হয়েছিল।’
উপজেলা ভূমি অফিস সূত্রে জানা যায়, প্রকল্পের নথিতে কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যক্তির নাম উল্লেখ নেই। শুধু প্রতিষ্ঠান দুটির নাম রয়েছে। ভূমি উপসহকারী কর্মকর্তা মো. সালাহ্ উদ্দিন রাসেল বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট নাম না থাকায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। বিষয়টি নথিপত্র দেখে যাচাই করা হচ্ছে।’ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জাকিয়া সুলতানা রোজী জানান, সরকারি পাওনা আদায়ের জন্য প্রতিষ্ঠান দুটির বিরুদ্ধে নোটিশ জারি করা হয়েছে।
"মালিকপক্ষ আমি নই। তাঁরা বিদেশে থাকেন। আমি যখন দায়িত্বে ছিলাম, তখন সব কর পরিশোধ করা হয়েছে। এখন একটি মহল রাজনৈতিকভাবে আমাকে হেয় করতে অপপ্রচার চালাচ্ছে।"
"প্রকল্পের নথিতে নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম নেই। শুধু প্রতিষ্ঠান দুটির নাম রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হালুয়াঘাট উপজেলা, ময়মনসিংহ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. শফিকুর রহমান শফিক, বুরুজ আলী, চঞ্চল মিয়া, নয়ন, মো. সালাহ্ উদ্দিন রাসেল, জাকিয়া সুলতানা রোজী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯২ লাখ ২২ হাজার টাকা, ১০২ দশমিক ৩ একর, ৬৯ একর, ৮৫ লাখ ১৫ হাজার ৬৯৩ টাকা, ৭ দশমিক ৬৪৫ একর, ৭ লাখ ৬ হাজার ৮১০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!