📅 ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ: ১২ বছর বয়সী মেয়েকে অচেতন অবস্থায় পেয়ে পুলিশ মামলা দায়ের

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ: ১২ বছর বয়সী মেয়েকে অচেতন অবস্থায় পেয়ে পুলিশ মামলা দায়ের

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক ১২ বছর বয়সী মেয়াকে বাড়ির কেয়ারটেকার গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান। ঘটনাস্থলে পুলিশ মেয়েকে উদ্ধার করে মেডিকেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। পলাতক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক কিশোরীকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান বাড়ির কেয়ারটেকার। ঘটনাটি গত বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে ঘটে। ভুক্তভোগী মেয়ের পরিবার ও পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নীলফামারী জেলার নিবাসী শফিকুল ইসলামের পরিবার গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তাঁদের ১২ বছর বয়সী মেয়ে স্থানীয় মাদরাসায় পড়াশোনা করতেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক ১২ বছর বয়সী মেয়াকে বাড়ির কেয়ারটেকার নীলু ড্রাইভার গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান
  • 📌 ঘটনাটি গত বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে ঘটে; মেয়ের মা কারখানায় ফিরে মেয়েকে অচেতন ও বিবস্ত্র অবস্থায় দেখেন
  • 📌 ভুক্তভোগীকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়; পরে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়
  • 📌 পলাতক অভিযুক্ত নীলু ড্রাইভারের বিরুদ্ধে কালিয়াকৈর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে
  • 📌 কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সহিদুল ইসলাম জানান, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

📰 বিস্তারিত

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক কিশোরীকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে অচেতন অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান বাড়ির কেয়ারটেকার। ঘটনাটি গত বুধবার বিকেল সাড়ে চারটে ঘটে। শফিকুল ইসলামের পরিবার নীলফামারী জেলার নিবাসী। তাঁরা গাজীপুরের কালিয়াকৈরে একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। শফিকুল ইসলামের স্ত্রী ও একমাত্র মেয়ে স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করতেন। ১২ বছর বয়সী মেয়েটি স্থানীয় একটি মাদরাসায় পড়াশোনা করতেন।

গত বুধবার সকালে শফিকুল ইসলামের পরিবার কর্মস্থলে যান। মেয়েটি মাদরাসায় যায়। দুপুরে মাদরাসা থেকে ফেরার সময় বাড়িতে কেয়ারটেকার নীলু ড্রাইভার ঢুকেন। দরজা বন্ধ করে গামছা দিয়ে কিশোরীর মুখ বেঁধে তাকে ধর্ষণ করেন। এরপর অচেতন অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যান। বিকেলে কারখানায় ফিরে মেয়ের মা মেয়েকে অচেতন ও বিবস্ত্র অবস্থায় দেখেন।

ভুক্তভোগী কিশোরীকে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনাস্থলে পথচারীদের মাধ্যমে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মৃতের সুরতহাল প্রস্তুত করা হয়েছে।

"এ ঘটনায় মামলা নিয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পথচারীদের মাধ্যমে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে। পরে পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে মৃতের সুরতহাল প্রস্তুত করা হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কালিয়াকৈর, গাজীপুর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শফিকুল ইসলাম, নীলু ড্রাইভার, সহিদুল ইসলাম (ওসি), ভুক্তভোগী কিশোরী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ বছর (ভুক্তভোগী মেয়ের বয়স), সাড়ে ৪ টা (ঘটনার সময়)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖