📌 বগুড়ার শেরপুরে চায়ের দোকান দিয়ে শুরু করেছিলেন মংলা দাস। ৩৫ বছর পর তাঁর ছেলে মানিক দাসের হাত ধরে সেই দোকান হয়ে উঠেছে তিনতলা বাড়ির ভিত্তি। দৈনিক এক হাজারের বেশি কাপ চা বিক্রির মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে সাফল্য
বগুড়ার শেরপুর পৌরসভার বৈকাল বাজারের পাশে অবস্থিত ‘মানিক রতন কফি হাউজ’। সকাল আটটা থেকে রাত দশটা পর্যন্ত চলে এখানে চা-কফির বেচাকেনা। একসময় টিনের বেড়ার ছোট্ট বাড়িতে সংসার চালাতেন মংলা দাস (৫৮)। অভাব ঘোচাতে ৩৫ বছর আগে ধার করা ১০ হাজার টাকা দিয়ে তিনি খোলেন একটি চায়ের দোকান। সেই ক্ষুদ্র ব্যবসাই পরে হয়ে ওঠে তাঁর পরিবারের ভাগ্য পরিবর্তনের হাতিয়ার।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মংলা দাস ৩৫ বছর আগে ধার করা ১০ হাজার টাকা দিয়ে শুরু করেন চায়ের দোকান
- 📌 তাঁর ছেলে মানিক দাস (৩৮) ব্যবসা চালিয়ে দৈনিক এক হাজারের বেশি কাপ চা বিক্রি করেন
- 📌 চা বিক্রির আয়েই নির্মিত হয়েছে তিনতলা বাড়ি, যার ব্যয় প্রায় ৩৫ লাখ টাকা
- 📌 দোকানে রয়েছে লাল চা থেকে শুরু করে ৬০ টাকা দামের বিশেষ চা
- 📌 মানিক দাসের মালাই চায়ের স্বাদ নিতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসেন
📰 বিস্তারিত
শেরপুর শহরের বৈকাল বাজারের পাশেই অবস্থিত ‘মানিক রতন কফি হাউজ’। একসময় টিনের বেড়ার ছোট্ট বাড়িতে থাকলেও চায়ের ব্যবসার আয়েই মংলা দাসের পরিবার এখন তিনতলা ভবনে বসবাস করছে। তাঁর ছেলে মানিক দাস ব্যবসার দায়িত্ব নেওয়ার পর দোকানটি হয়ে উঠেছে আশপাশের এলাকার মানুষের মিলনস্থল। দোকানে প্রতিদিন গড়ে এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ কাপ চা বিক্রি হয়।
মানিক দাস জানান, তাঁর বাবা মংলা দাসের কাছ থেকেই তিনি চা তৈরির কৌশল শিখেছেন। ছোটবেলা থেকেই বাবার দোকানে কাজ করা মানিক পরে ব্যবসার দায়িত্ব নেন। তাঁর দোকানে রয়েছে লাল চা, দুধ চা, কফি ও মালাই চা। বিশেষ মালাই চায়ের স্বাদ নিতে দূরদূরান্ত থেকে মানুষ আসেন বলে তিনি জানান।
শেরপুরের পরিবেশ প্রতিরক্ষা সংস্থার সভাপতি সোহাগ রায় বলেন, ‘দোকানটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। চা পরিবেশনের কাপও পরিষ্কার। তাই শেরপুরে এলেই এখানে এক কাপ চা পান করি।’ তাঁর মতে, মানিকের দোকান শুধু ব্যবসাই নয়, সামাজিক মিলনস্থল হিসেবেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
‘বাবার কাছ থেকেই চা বানানো শিখেছি। ছোটবেলা থেকে দোকানে কাজ করেছি। এখন এই ব্যবসাই আমার জীবিকার প্রধান অবলম্বন।’ — মানিক দাস
মানিক দাসের দোকানে কাজ করেন চারজন কর্মচারী। ধর্মীয় উৎসব ও সরকারি ছুটির দিনে বেচাকেনা আরও বেড়ে যায়। তাঁর ছোট ভাই রতন বেকারির ব্যবসা করেন। মানিক তাঁর একমাত্র ছেলে সীমান্ত দাসকে ভালো একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পড়াচ্ছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শেরপুর, বগুড়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মানিক দাস, মংলা দাস
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৫ বছর, ১০ হাজার টাকা, ৫৮ বছর, ৩৮ বছর, ৩৫ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!