📌 ঢাকায় পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, পরীক্ষিত ৯৫ শতাংশ চিনির নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি রয়েছে। গবেষণায় ব্যবহৃত মোট ৫০৮টি নমুনার মধ্যে ৩২২টি থেকে পাওয়া গেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা।
ঢাকায় পরিচালিত এক সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে যে, পরীক্ষিত ৯৫ শতাংশ চিনির নমুনায় মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি রয়েছে। গবেষণাটি পরিচালনা করেছেন খাদ্য সংযুতি বিষয়ক বিশেষজ্ঞরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- পরীক্ষিত মোট চিনির নমুনার সংখ্যা ছিল ৫০৮টি।
- এর মধ্যে ৩২২টি নমুনায় পাওয়া গেছে মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা।
- মাইক্রোপ্লাস্টিক কণার আকার ছিল ১২.০ মাইক্রোমিটার থেকে ৩.১৯ মিলিমিটার পর্যন্ত।
- ৬৩ শতাংশ নমুনায় পাওয়া গেছে ২১.০ মাইক্রোমিটার থেকে ৫.০ মাইক্রোমিটার আকারের মাইক্রোপ্লাস্টিক।
- ১১ শতাংশ নমুনায় পাওয়া গেছে ৫.০ মাইক্রোমিটার থেকে ৩.১৯ মিলিমিটার আকারের মাইক্রোপ্লাস্টিক।
- গবেষণায় ব্যবহৃত চিনির নমুনাগুলো ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল।
গবেষকরা জানিয়েছেন, চিনির মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি খাদ্য নিরাপত্তার জন্য একটি গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রবেশ করলে তা স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, চিনির উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় বিভিন্ন উৎস থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিক চিনির মধ্যে প্রবেশ করতে পারে।
তবে গবেষণায় প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চিনির মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি সম্পর্কে আরও বিস্তারিত গবেষণা প্রয়োজন বলে মত দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে এই বিষয়ে আরও গবেষণা চালিয়ে যাওয়া হবে যাতে চিনির মধ্যে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উৎস ও প্রভাব সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়।
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!