📌 মেহেরপুরের গাংনীর বেতবাড়িয়া গ্রামে নির্মাণকাজে ধাতব বস্তু পাওয়ার পর সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯৬টি মাইন। এর মধ্যে রয়েছে ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন ও ৭৯টি মানববিধ্বংসী অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৯৭১ সালে এসব মাইন পুঁতে রেখে যেতে পারে
মেহেরপুরের গাংনীর বেতবাড়িয়া গ্রামে বাড়ি নির্মাণের সময় ধাতব বস্তু পাওয়ার পর সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯৬টি মাইন। ঘটনাস্থলে সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলের সদস্যরা খনন করে অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন ও মানববিধ্বংসী অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন উদ্ধার করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 নির্মাণকাজে ধাতব বস্তু পাওয়ার পর সেনাবাহিনীর অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ৯৬টি মাইন
- 📌 উদ্ধার হওয়া মাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন ও ৭৯টি মানববিধ্বংসী অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন
- 📌 সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল দুপুর দেড়টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে খনন শুরু করে
- 📌 স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তান সেনাবাহিনী ১৯৭১ সালে এসব মাইন পুঁতে রেখে যেতে পারে
📰 বিস্তারিত
গাংনীর বেতবাড়িয়া গ্রামে বাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি কাটছিলেন শ্রমিকেরা। এ সময় কোদালের আঘাতে বেরিয়ে আসে ছয়টি ধাতব বস্তু। দুই দিন পর সেই জায়গা খুঁড়ে সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দলটি ৯৬টি মাইন উদ্ধার করে। ঘটনাস্থলে যশোর সেনানিবাস থেকে দুপুর দেড়টার দিকে দলটি পৌঁছায়। সেনাসদস্যরা মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পুরো এলাকা পরীক্ষা করে খনন শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে একের পর এক মাইন উদ্ধার করা হয়।
এ সময় পুলিশ ও বিজিবির একটি দল পুরো এলাকা ঘিরে রাখে। উদ্ধার হওয়া মাইনগুলোর মধ্যে রয়েছে ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন ও ৭৯টি মানববিধ্বংসী অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন। ঘটনাস্থল থেকে গাংনী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শিমুল কুমার দাস জানান, সেনাবাহিনীর বোমা নিষ্ক্রিয় দল দুপুরে ঘটনাস্থলে এসে খনন শুরু করে। একে একে মাইনগুলো উদ্ধার করা হয়।
মাইনগুলো উদ্ধারের পরে সেগুলো নিষ্ক্রিয় করার জন্য সেনাবাহিনী পাশের মধুগাড়ি মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে মাইনগুলো নিষ্ক্রিয় করার কাজ চলছে। পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, অ্যান্টি পারসোনেল মাইনের ওপর ৬৪ কেজি ওজনের কোনো কিছুর চাপ পড়লে তা বিস্ফোরিত হয়। এর চেয়ে ভারী কিছুর চাপে বিস্ফোরিত হয় অ্যান্টি ট্যাংক মাইন।
"মাটি খুঁড়তে গিয়ে একসঙ্গে এত বড় মাইনের মজুত উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সেনাবাহিনী ও পুলিশের ভাষ্য, উদ্ধার হওয়া মাইনগুলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কৌশলগত কারণে পুঁতে রাখতে পারে পাকিস্তান সেনাবাহিনী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গাংনীর বেতবাড়িয়া গ্রাম, মেহেরপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শিমুল কুমার দাস (গাংনী থানার পরিদর্শক, তদন্ত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯৬টি মাইন, ১৭টি অ্যান্টি-ট্যাংক মাইন, ৭৯টি অ্যান্টি-পারসোনেল মাইন, ৬৪ কেজি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!