📌 সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুরে দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে নির্মিত হচ্ছে দুর্গাপ্রতিমা। দেড় লাখের বেশি কাঠি ও ১০ কেজি সুতা ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে দেবীর পোশাক ও অলংকার। তিন বছর আগে ভারতের এক মন্দিরে দেখার অভিজ্ঞতা থেকে এই উদ্যোগ নিয়েছেন স্থানীয় শিল্পীরা
সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুর সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা মন্দিরে দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে নির্মিত হচ্ছে ব্যতিক্রমী দুর্গাপ্রতিমা। দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠি ও ১০ কেজির বেশি রেশমি সুতা ব্যবহার করে দেবী দুর্গার পোশাক ও অলংকার তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিমার অবয়বের ওপর একের পর এক দেশলাই কাঠি বসাচ্ছেন শিল্পীরা। কাঠির মাথার অংশ দিয়ে তৈরি হচ্ছে অলংকার ও পোশাকের নকশা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে নির্মিত হচ্ছে সাতক্ষীরার ব্রহ্মরাজপুরের দুর্গাপ্রতিমা
- 📌 প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠি ও ১০ কেজির বেশি রেশমি সুতা
- 📌 প্রতিমাশিল্পী নবদ্বীপ সরকারের উদ্যোগে শুরু হয়েছে এই ব্যতিক্রমী কাজ
- 📌 তিন বছর আগে ভারতের এক মন্দিরে দেখার অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়েছেন শিল্পীরা
- 📌 প্রতিমা তৈরির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা
📰 বিস্তারিত
সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ধুলিহর ইউনিয়নের ব্রহ্মরাজপুর সর্বজনীন শ্রীশ্রী দুর্গাপূজা মন্দিরে চলছে ব্যতিক্রমী দুর্গাপ্রতিমা তৈরির কাজ। দেশলাইয়ের কাঠিগুলো পাশাপাশি বসিয়ে তৈরি করা হচ্ছে দেবী দুর্গার পোশাক ও অলংকার। কাঠির ফাঁকে ফাঁকে জড়ানো হচ্ছে রেশমি সুতা। একটু দূর থেকে দেখলে মনে হবে, দেবীর পোশাক ও অলংকার যেন কাপড়ের ভাঁজ ও ঝলমলে অলংকার। কাছে গেলেই বোঝা যায়, সবই তৈরি হচ্ছে দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে।
গতকাল রোববার মন্দিরে গিয়ে দেখা যায়, মাটির তৈরি প্রতিমার অবয়বের ওপর একের পর এক দেশলাই কাঠি বসাচ্ছেন শিল্পীরা। প্রতিমাশিল্পী নবদ্বীপ সরকার জানান, তিন বছর আগে ভারতের এক মন্দিরে এ ধরনের কাজ দেখেছিলেন। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে প্রতিমা তৈরিতে হাত দিয়েছেন তারা। পূজার আগে কাজ শেষ করতে দিন-রাত পরিশ্রম করতে হচ্ছে শিল্পীদের। কখনো রাত দুই-তিনটা পর্যন্তও কাজ করতে হয়।
গত বছর ধানের প্রতিমা তৈরির পর থেকেই এবার আরও আকর্ষণীয় কিছু করার চিন্তা ছিল আয়োজকদের। সেই ভাবনা থেকেই দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে প্রতিমা তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যয় হবে প্রায় পাঁচ লাখ টাকা। আয়োজকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রতিমা তৈরিতে লাগছে দেড় লাখের বেশি দেশলাই কাঠি ও ১০ কেজির বেশি রেশমি সুতা। শুধু প্রতিমা তৈরির শিল্পীদের পারিশ্রমিক বাবদ ব্যয় হচ্ছে প্রায় এক লাখ ৩০ হাজার টাকা।
‘তিন বছর আগে ভারতের এক মন্দিরে গিয়ে এ ধরনের কাজ দেখেছিলাম। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এবার সাতক্ষীরায় দেশলাই কাঠি ও রেশমি সুতা দিয়ে প্রতিমা তৈরিতে হাত দিয়েছি। পূজার আগে কাজ শেষ করতে দিন-রাত কাজ করতে হয়।’ — প্রতিমাশিল্পী নবদ্বীপ সরকার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রহ্মরাজপুর, ধুলিহর ইউনিয়ন, সাতক্ষীরা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমাশিল্পী নবদ্বীপ সরকার
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: দেড় লাখ দেশলাই কাঠি, ১০ কেজি রেশমি সুতা, প্রায় পাঁচ লাখ টাকা ব্যয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!