📌 মানিকগঞ্জের যমুনা নদী থেকে জেলেদের জালে ৪১ কেজি ওজনের বিরল প্রজাতির বাগাড় মাছ ধরা পড়ে। স্থানীয় সৌদিপ্রবাসী মো. জাকির হোসাইন প্রতি কেজি ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে মাছটি ৫৩ হাজার টাকায় কিনে নেন। ঘটনায় জেলেরা আনন্দ প্রকাশ করেন
মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার যমুনা নদী থেকে জেলেদের জালে ধরা পড়েছে বিরল প্রজাতির একটি বাগাড় মাছ। মাছটির ওজন ছিল ৪১ কেজি। পরে স্থানীয় সৌদিপ্রবাসী মো. জাকির হোসাইন প্রতি কেজি ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে মাছটি ৫৩ হাজার টাকায় কিনে নেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যমুনা নদী থেকে জেলেদের জালে ধরা পড়ে ৪১ কেজির বিরল বাগাড় মাছ
- 📌 মাছটির দাম নির্ধারণ করা হয় প্রতি কেজি ১ হাজার ৩০০ টাকা হিসেবে
- 📌 স্থানীয় সৌদিপ্রবাসী মো. জাকির হোসাইন মাছটি ৫৩ হাজার টাকায় কিনে নেন
- 📌 জেলেরা মাছটি ধরে আনন্দ প্রকাশ করেন
📰 বিস্তারিত
গত বৃহস্পতিবার ভোররাতে মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার বাঘুটিয়া ইউনিয়নের চর এলাকার যমুনা নদী থেকে জেলে মো. আসিফ মিয়া, মো. ওহাব মোল্লা ও মো. মতিন শেখ মাছটি ধরে আনেন। পরে তাঁরা মাছটি নিয়ে আসেন বাঘুটিয়া চর বাজারে। বাজারে মাছটি দেখতে উৎসুক মানুষের ভিড় জমে যায়।
বাঘুটিয়া চর এলাকার স্থানীয় সৌদিপ্রবাসী মো. জাকির হোসাইন মাছটি প্রতি কেজি ১ হাজার ৩০০ টাকা দরে মোট ৫৩ হাজার টাকায় কিনে নেন। পরে ঘোড়ার গাড়িতে করে মাছটি নিয়ে যাওয়া হয়। জেলেরা জানান, তাঁদের কাছে এত বড় বাগাড় মাছ ধরা পড়ার ঘটনাটিও ছিল আনন্দের।
দৌলতপুর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুরাইয়া আক্তার তন্বী বলেন, বন অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী বাগাড় মাছ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ। মানিকগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা শেখ মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, ‘বাগাড় মাছ ধরা পড়ার তথ্য আমার জানা নেই। বন অধিদপ্তর বাগাড়কে বিপন্ন প্রজাতি হিসেবে ঘোষণা করেছে। তাই এ মাছ ধরা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।’
‘বাগাড় মাছ ধরা ও বিক্রি নিষিদ্ধ। জেলেদের এ মাছ না ধরতে বারবার নিষেধ করা হয়েছে।’ — শেখ মনিরুল ইসলাম মনির, মানিকগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলা, যমুনা নদী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. জাকির হোসাইন, মো. আসিফ মিয়া, শেখ মনিরুল ইসলাম মনির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪১ কেজি, ৫৩ হাজার টাকা, ১ হাজার ৩০০ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!