📌 চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় জামায়াত নেতা পরিচালিত মাদ্রাসা থেকে সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। অভিযুক্ত নেতা শামসুল ইসলাম হেলালী দাবি করেছেন, ব্যস্ততার কারণে তিনি বাকি বীজ বিতরণ করতে পারেননি
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে জামায়াত নেতা পরিচালিত একটি মাদ্রাসা থেকে সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চরম্বা ইউনিয়নের জামেউল উলুম মাদ্রাসা থেকে ১৩ বস্তা ধানের বীজ উদ্ধার করা হয়। অভিযুক্ত নেতা শামসুল ইসলাম হেলালী নিজেই চরম্বা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 লোহাগাড়া উপজেলার চরম্বা ইউনিয়নের জামেউল উলুম মাদ্রাসা থেকে ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার
- 📌 অভিযুক্ত নেতা শামসুল ইসলাম হেলালী চরম্বা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ
- 📌 উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দের নেতৃত্বে মাদ্রাসা পরিদর্শনে বীজ উদ্ধার
- 📌 কৃষি কর্মকর্তা কাজী শফিউল ইসলাম জানান, বীজগুলো ২০ দিন আগে কৃষকদের বিতরণের কথা ছিল
- 📌 অভিযুক্ত নেতা দাবি করেন, ব্যস্ততার কারণে তিনি চার বস্তা বিতরণ করেছেন এবং বাকিগুলো মাদ্রাসায় রয়ে গেছে
📰 বিস্তারিত
উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে চরম্বা ইউনিয়নের জামেউল উলুম মাদ্রাসা থেকে ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযুক্ত নেতা শামসুল ইসলাম হেলালী নিজেই চরম্বা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মাদ্রাসাটি পরিদর্শনে যান। তখন তিনি মাদ্রাসার সুপারের কার্যালয়ের পাশে একটি তালাবদ্ধ কক্ষ দেখতে পান এবং তা খোলার নির্দেশ দেন। এরপর ওই কক্ষ থেকে ১৩ বস্তা আমন ধানের বীজ উদ্ধার করা হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কাজী শফিউল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, ‘বীজগুলো আমরা ২০ দিন আগে কৃষকদের বিনা মূল্যে বিতরণ করার জন্য পাঠিয়েছিলাম। চরম্বা ইউনিয়নটি দূরবর্তী হওয়ায় কৃষকদের দুজন প্রতিনিধির মাধ্যমে বীজগুলো পাঠানো হয়েছিল। এসব বীজ আরও ১৫ দিন আগে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করার কথা ছিল।’ তিনি আরও বলেন, ‘কী কারণে এসব বীজ এখনো বিতরণ করা হয়নি এবং কীভাবে সেগুলো একজন রাজনৈতিক নেতার কাছে গেল, তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে শামসুল ইসলাম হেলালী প্রথম আলোকে বলেন, ‘কৃষকদের বিতরণের জন্য তাঁদের ১৭ বস্তা বীজ দেওয়া হয়েছিল। পরে তাঁরা চার বস্তা বিতরণ করেছেন। অবশিষ্ট বীজ তিনি মাদ্রাসায় রেখেছিলেন। ব্যস্ততার কারণে আর বিতরণ করতে পারেননি।’
‘উদ্ধারের পর বীজগুলো স্থানীয় কৃষকদের বিতরণ করা হয়েছে। মাদ্রাসা সুপারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশের জবাব পাওয়ার পর পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চরম্বা ইউনিয়ন, লোহাগাড়া, চট্টগ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শামসুল ইসলাম হেলালী, মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ, কাজী শফিউল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩, ২০, ১৫, ১৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!