📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মন্টু কর্মকারের পরিবার দুই সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ। প্রতিবেশী রফিক মিয়ার লোকজন তাঁদের বাড়ির সামনে ২০ ফুট ও উঠান পথে ২৫ ফুট দীর্ঘ বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। শৌচাগার ও নলকূপও অবরুদ্ধ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়নের কর্মকারপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মন্টু কর্মকারের পরিবার দুই সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিবেশী রফিক মিয়ার পরিবারের লোকজন তাঁদের বাড়ির সামনে ও উঠান পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে তাঁদের শৌচাগার ও নলকূপ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়নের কর্মকারপাড়ায় জমি বিরোধের ঘটনা
- 📌 মন্টু কর্মকারের পরিবার দুই সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ
- 📌 প্রতিবেশী রফিক মিয়ার লোকজন ৯ আগস্ট বাড়ির সামনে ২০ ফুট ও উঠান পথে ২৫ ফুট দীর্ঘ বাঁশের বেড়া দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেয়
- 📌 শৌচাগার ভেঙে ফেলা ও নলকূপ টিন ও ময়লা দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে
- 📌 মন্টু কর্মকার দলিলে উত্তম রায়ের স্বাক্ষর থাকলেও তা নিবন্ধন হয়নি
- 📌 উত্তম রায় পরবর্তীতে একই জমি সৌদি আরবপ্রবাসী রফিক মিয়ার কাছে বিক্রি করেন
- 📌 মন্টু কর্মকার গত এক বছরে দুই দফায় আদালতে মামলা করেন
📰 বিস্তারিত
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরের হরিপুর ইউনিয়নের কর্মকারপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে মন্টু কর্মকারের পরিবার দুই সপ্তাহ ধরে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। প্রতিবেশী রফিক মিয়ার পরিবারের লোকজন তাঁদের বাড়ির সামনে ও উঠান পথে বাঁশের বেড়া দিয়ে যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দিয়েছে। ফলে তাঁদের শৌচাগার ও নলকূপ অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে। মন্টু কর্মকারের স্ত্রী সুবর্ণা কর্মকার জানান, দিনের বেলায় শৌচাগার ব্যবহারের কোনো উপায় নেই। বাধ্য হয়ে তাঁদের রাতে পাশের পুকুরপাড়ে যেতে হচ্ছে। খাবার পানির জন্যও প্রতিদিন কলস নিয়ে প্রতিবেশীদের বাড়িতে যেতে হচ্ছে।
মন্টু কর্মকার জানান, তিনি ২০০৩ সালে তাঁর চাচাতো ভাই উত্তম রায়ের কাছ থেকে সাবেক ১৮৯৭ দাগের ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ জমি বায়না দলিলমূলে কেনেন। ২০১৪ সালের ২৩ ডিসেম্বর দলিল লেখক ও সাবেক ইউপি সদস্য আশিকুর রহমানের মাধ্যমে জমি কেনার দলিল সম্পাদন করা হয়। তিনি দাবি করেন, তিনি জমির দাম বাবদ ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। তবে দলিলটি নিবন্ধন হয়নি। পরে ২০১৭ সালে উত্তম রায় একই জমি সৌদি আরবপ্রবাসী রফিক মিয়ার কাছে বিক্রি করেন। বিষয়টি জানার পর মন্টু গত এক বছরের মধ্যে দুই দফায় আদালতে মামলা করেন।
স্থানীয় বাসিন্দা তাউস মিয়া জানান, মন্টু প্রথমে জমিটি কিনেছেন। পরে উত্তম একই জমি রফিকের কাছে বিক্রি করেছেন। আরেক বাসিন্দা সুজন পাঠান জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সালিস হয়েছে। তবে কোনো পক্ষই ছাড় দিতে রাজি না হওয়ায় সমাধান হয়নি।
"দলিলে উত্তম স্বাক্ষর করলেও সেটি নিবন্ধন হয়নি। অনিবন্ধিত দলিলের ভিত্তিতেই আমি আদালতে মামলা করেছি। এখন রফিক মিয়ার লোকজন বাড়ির চারপাশে বেড়া দিয়েছে। মামলা ও বাড়াবাড়ি করলে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছে। পরিবার নিয়ে আমি নিরাপত্তাহীনতায় আছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: হরিপুর ইউনিয়ন, নাসিরনগর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্টু কর্মকার, সুবর্ণা কর্মকার, রফিক মিয়া, উত্তম রায়
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯ আগস্ট, ৬ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ৩ লাখ ৫৬ হাজার টাকা, ২০ ফুট, ২৫ ফুট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!