📅 ২৮ আগস্ট ২০২৬, ১১:০৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর ভাঙনে বিপর্যয়: স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর ভাঙনে বিপর্যয়: স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ধরলা নদীর ভাঙনে বিপুল ক্ষয়ক্ষতি ও মানচিত্র সংকোচনের আশঙ্কায় স্থানীয়রা জেলা পাউবো অফিসের সামনে মানববন্ধন করেছেন। স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে বক্তারা জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন

কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী উপজেলায় ধরলা নদীর ভাঙনে বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে স্থানীয় জনগোষ্ঠী। উপজেলার মেখলি এলাকায় শত শত বসতভিটা, ফসলি জমি ও স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়ার পরও ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। প্রতিনিয়ত এলাকার মানচিত্র ছোট হয়ে আসছে বলে অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ধরলা নদীর ভাঙনে মেখলি এলাকার শত শত বসতভিটা ও ফসলি জমি বিলীন হয়েছে
  • 📌 ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে অসংখ্য বসতবাড়ি ও আবাদি জমি
  • 📌 জেলা পাউবো অফিসের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা
  • 📌 ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবিতে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান

📰 বিস্তারিত

বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘অ্যাক্টিভিস্টা কুড়িগ্রাম’ ও ‘ফুলবাড়ী উপজেলার সর্বস্তরের জনগণ’ ব্যানারে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সামনে মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা জানান, ধরলা নদীর ভাঙনে মেখলি এলাকাসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। এখনো ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে অসংখ্য পরিবার ও আবাদি জমি।

ডিস্ট্রিক্ট ক্লাইমেট নেটওয়ার্কের আহ্বায়ক এম রশিদ আলী বলেন, ‘ভাঙন রোধে স্থানীয়রা এর আগেও একাধিকবার কর্মসূচি পালন করেছেন। কিন্তু এখনো কোনো স্থায়ী সমাধান আসেনি। এভাবে ভাঙন অব্যাহত থাকলে এক সময় পুরো মেখলি এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনতিবিলম্বে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নিতে হবে। নাহলে এলাকাবাসী পাউবো অফিসেই বসবাস শুরু করবে।’

ফুলবাড়ীর বড়ভিটা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য ইলিয়াস আলী জানান, ভাঙনের কারণে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।’

জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান বলেন, মেখলি এলাকাসহ ফুলবাড়ীর বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি জানান, জরুরি প্রতিরক্ষা কাজের প্রস্তাবনা পাঠানো হলেও এখনো বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। অপ্রতুল বরাদ্দের কারণে ভাঙন রোধ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

"ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। অন্যথায় পুরো এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফুলবাড়ী, কুড়িগ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: এম রশিদ আলী, ইলিয়াস আলী, রাকিবুল হাসান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: শত শত (বসতভিটা ও ফসলি জমি)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖