📌 কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বীকে কর্মকর্তা-কর্মচারী মারধরের অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. ফজলে রাব্বীকে কর্মকর্তা-কর্মচারী মারধরের অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব সগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে রোববার (১৬ আগস্ট) এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। তাকে পৌরসভা থেকে প্রত্যাহার করে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিএম কুদরত-এ-খুদা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কর্মকর্তা-কর্মচারী মারধরের অভিযোগে কুড়িগ্রাম পৌরসভার সিইও ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহার
- 📌 অভিযোগ ওঠে গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক রশিদ ও পরিচ্ছন্নতা শাখার কর্মচারী আনারুল ইসলামকে মারধরের
- 📌 ঘটনার প্রতিবাদে পৌরসভার কর্মচারীরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করেন
- 📌 জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ অভিযুক্ত সিইওকে অপসারণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন
📰 বিস্তারিত
কুড়িগ্রাম পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বীকে কর্মকর্তা-কর্মচারী মারধরের অভিযোগে প্রত্যাহার করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের যুগ্ম সচিব সগীর হোসেন স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে রোববার (১৬ আগস্ট) এ আদেশ জারি করা হয়। তাকে পৌরসভা থেকে প্রত্যাহার করে স্থানীয় সরকার বিভাগের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক বিএম কুদরত-এ-খুদা।
গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জেলা পরিষদের ডাকবাংলোর আবাসিক কক্ষে পৌরসভার হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক রশিদ ও পরিচ্ছন্নতা শাখার চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আনারুল ইসলামকে মারধর ও গালিগালাজ করার অভিযোগ ওঠে ফজলে রাব্বীর বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী দুই কর্মচারী এ অভিযোগ করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ অভিযুক্ত সিইওকে অপসারণে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। একই দিন তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি পাঠান। দুই দিনের মাথায় স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহারের আদেশ জারি করা হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে পৌরসভার কর্মচারীরা অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি পালন করেন। অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে অপসারণ না করা পর্যন্ত কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন তারা। ফলে পৌরসভার দাপ্তরিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
"অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগের নির্দেশনা অনুসারে ফজলে রাব্বীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কুড়িগ্রাম পৌরসভা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফজলে রাব্বী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬ আগস্ট, ১৩ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!