📅 ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনা জেনারেল হাসপাতালে শয্যা ও অবকাঠামো সংকট: সরকারি প্রকল্পের বিলম্বে রোগীরা সিঁড়ি-বারান্দায় শুয়ে কাতর

খুলনা জেনারেল হাসপাতালে শয্যা ও অবকাঠামো সংকট: সরকারি প্রকল্পের বিলম্বে রোগীরা সিঁড়ি-বারান্দায় শুয়ে কাতর

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনা জেনারেল হাসপাতালে ২০১৭ সালে ১০০ শয্যা থেকে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করার সরকারি অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ১০টি শয্যা বেড়েছে। ১২ তলা নতুন ভবনের নির্মাণ বিলম্বিত, আইসিইউ ও এইচডিইউর ৩০টি শয্যা অকেজো, ৪৮টি চিকিৎসক পদ শূন্য। রোগীরা সিঁড়ি-বারান্দায় শুয়ে কাতর

খুলনা জেনারেল হাসপাতাল দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্থানীয় জনগণের স্বাস্থ্যসেবার অন্যতম ভরসাস্থল। কিন্তু বর্তমানে এই প্রতিষ্ঠানে শত শত রোগী সিঁড়ির পাশে, নোংরা বারান্দায় বা খোলা মেঝেতে শুয়ে কাতর। ২০১৭ সালে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ১০০ থেকে ২৫০-এ উন্নীত করার সরকারি অনুমোদন থাকা সত্ত্বেও সাড়ে নয় বছর পরও শুধুমাত্র ১০টি শয্যা বেড়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনা জেনারেল হাসপাতালে ২০১৭ সালের পর থেকে শুধুমাত্র ১০টি শয্যা বেড়েছে (২৫০ শয্যা প্রকল্পে বিলম্ব)
  • 📌 ১২ তলা নতুন ভবনের নির্মাণ প্রকল্প বাতিল ও ঠিকাদারি জটিলতার কারণে বিলম্বিত
  • 📌 আইসিইউ ও এইচডিইউর ৩০টি শয্যা থাকলেও যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকটে অকেজো
  • 📌 ৮৬টি অনুমোদিত চিকিৎসক পদে ৪৮টি শূন্য, জরুরি সেবা ও আইসিইউর অভাবে রোগীরা বিপদে পড়ছে
  • 📌 দরিদ্র পরিবারগুলো ঘটিবাটি বিক্রি করে ব্যয়বহুল বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে

📰 বিস্তারিত

খুলনা জেনারেল হাসপাতাল প্রতিদিন গড়ে এক হাজার রোগী বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসে। কিন্তু শয্যাসংকট ও অবকাঠামোগত দুর্বলতার কারণে রোগীরা সিঁড়ি বা বারান্দায় শুয়ে কাতর। হাসপাতালের পুরোনো মূল ভবনের একাংশ ইতিমধ্যে পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়েছে, বাকি অংশ দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে রয়েছে।

২০১৭ সালে হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা ১০০ থেকে ২৫০-এ উন্নীত করার সরকারি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু সাড়ে নয় বছর পরও শুধুমাত্র ১০টি শয্যা বেড়েছে। অন্যদিকে, ১২ তলা নতুন ভবনের নির্মাণ প্রকল্প বাতিল ও ঠিকাদারি জটিলতার কারণে বিলম্বিত হয়েছে।

আইসিইউ ও এইচডিইউর জন্য ৩০টি শয্যা থাকা সত্ত্বেও যন্ত্রপাতি ও জনবল সংকটে তা সম্পূর্ণ অকেজো। এছাড়াও, ৮৬টি অনুমোদিত চিকিৎসক পদে ৪৮টি শূন্য, যা জরুরি সেবা ও আইসিইউর অভাবে মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বিপদে ফেলছে।

"স্বাস্থ্যসেবা পাওয়া নাগরিকের কোনো অনুকম্পা নয়, এটি সাংবিধানিক মৌলিক অধিকার। প্রকল্প জটিলতা বা জনবলসংকটের পুরোনো দোহাই দিয়ে আর কত দিন সাধারণ রোগীদের এভাবে সিঁড়ি কিংবা বারান্দায় ফেলে রাখা হবে?"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনা জেনারেল হাসপাতাল, খুলনা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: খুলনা অঞ্চলের রোগী ও স্বাস্থ্যকর্মী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০০ শয্যা → ২৫০ শয্যা (অনুমোদিত), শুধু ১০টি বেড়েছে; ১২ তলা ভবন; ৩০টি আইসিইউ/এইচডিইউ শয্যা; ৮৬টি চিকিৎসক পদ, ৪৮টি শূন্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖