📌 খুলনার লবণচরায় সংঘটিত জোড়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে সফল হয়েছে র্যাব-৬। দুই সন্ত্রাসী গ্রেফতার ও স্বীকারোক্তির মাধ্যমে জানা গেছে হত্যাকাণ্ডের বিস্তারিত ঘটনা
খুলনার লবণচরায় গত ১৯ আগস্ট সংঘটিত জোড়া হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৬)। গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন আল আমিন হাসান ওরফে সাইফি (২১) এবং তার সহযোগী রাফিকুল ইসলাম রাকিব (১৭)।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 খুলনার লবণচরায় ১৯ আগস্ট জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটে
- 📌 নিহত ব্যক্তিরা: মো. মঞ্জুরুল ইসলাম (২৩) ও মো. নাজমুল (১৮)
- 📌 হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্ত্রাসী দলের নেতা আল আমিন হাসান সাইফি
- 📌 গ্রেফতার দুই সন্ত্রাসী: আল আমিন হাসান সাইফি ও রাফিকুল ইসলাম রাকিব
- 📌 হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র: একটি শর্টগান, একটি পিস্তল ও তিনটি দেশীয় চাপাতি
📰 বিস্তারিত
খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকার আশিবিঘা নামক স্থানে গত ১৯ আগস্ট কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দু’টি হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন মো. মঞ্জুরুল ইসলাম (২৩) ও মো. নাজমুল (১৮)। তাদের গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে র্যাব-৬-এর অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ জানান। ঘটনার পরপরই র্যাবের একটি চৌকস দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিভিন্ন আলামত সংগ্রহের পর ছায়া তদন্ত শুরু করে।
তদন্তে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে খুলনা মহানগরীর টুটপাড়া এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী আল আমিন হাসান সাইফি এবং তার সন্ত্রাসী দলের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া যায়। পরে খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (২১ আগস্ট) গোপালগঞ্জ সদর থানাধীন মাঝিগাতী রাজার এলাকা থেকে সাইফি ও তার সহযোগী রাফিকুল ইসলাম রাকিবকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত সাইফি এবং রাকিব এ হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। অভিযুক্ত সাইফির বর্ণনা অনুযায়ী, ভুক্তভোগী নাজমুল সাইফি গ্রুপের সদস্য ছিলেন। অন্যদিকে, মঞ্জুরুল সন্ত্রাসী রোহান-পলাশ গ্রুপের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে জানা যায়। অভিযুক্ত সাইফির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তার দলের সদস্যরা নাজমুলকে ভিডিও কলের মাধ্যমে হত্যার দৃশ্য দেখিয়ে কল কেটে দেয়। এর প্রতিশোধ হিসেবে সাইফি ও তার দলের সদস্যরা আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আশিবিঘা এলাকায় যান এবং মঞ্জুরুলকে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করেন। কয়েক ঘণ্টা পরেই গুলিবিদ্ধ ও কোপানো অবস্থায় নাজমুলের লাশ উদ্ধার করা হয়।
"অভিযুক্ত সাইফির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, তার দলের সদস্যরা নাজমুলকে ভিডিও কলের মাধ্যমে হত্যার দৃশ্য দেখিয়ে কল কেটে দেয়। এর প্রতিশোধ হিসেবে তারা মঞ্জুরুলকে হত্যা করেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনা মহানগরীর লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল আমিন হাসান সাইফি, রাফিকুল ইসলাম রাকিব, মো. মঞ্জুরুল ইসলাম, মো. নাজমুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন গ্রেফতার, ২ জন নিহত, ১৯ আগস্ট ঘটনা ঘটে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!