📅 ২২ আগস্ট ২০২৬, ৪:৫৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খুলনায় পরপর দুটি হত্যাকাণ্ড: প্রতিশোধের আগুনে পুড়ে গেল দুই পরিবার

খুলনায় পরপর দুটি হত্যাকাণ্ড: প্রতিশোধের আগুনে পুড়ে গেল দুই পরিবার

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খুলনার লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকায় পরপর দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। একটি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছে র‌্যাব। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে

খুলনার লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকায় পরপর দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। একটি হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নিতে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি। শনিবার সকালে র‌্যাব কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন র্যাবের অধিনায়ক নিস্তার আহমেদ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খুলনার লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকায় পরপর দুটি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে
  • 📌 হত্যাকাণ্ড দুটির মধ্যে প্রতিশোধের সম্পর্ক রয়েছে বলে দাবি র্যাবের
  • 📌 আলামিন হাসান সাইফিসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী
  • 📌 গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে কয়েকটি অস্ত্র উদ্ধার করেছে র‌্যাব
  • 📌 হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে

📰 বিস্তারিত

খুলনার লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে বিরোধ রয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছে গ্রেনেড বাবুর ‘বি কোম্পানি’ এবং অপরটি রোহান-পলাশ গ্রুপ। টুটপাড়ার আলামিন হাসান সাইফি গ্রেনেড বাবুর সহযোগী হিসেবে কাজ করেন বলে র্যাবের দাবি। অন্যদিকে নিহত রফিক রোহান-পলাশ গ্রুপের হয়ে মাদক কারবার করতেন বলে র্যাবের কাছে তথ্য রয়েছে।

১৯ আগস্ট বিকেলে স্থানীয় একটি সেলুন থেকে বের হওয়ার পর রফিকের গ্রুপের সদস্যরা নাজমুলকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে যান। পরে প্রতিপক্ষের এক সদস্যকে ভিডিও কলের মাধ্যমে নাজমুলকে দেখানো হয়। ভিডিও কলের সময় তাঁকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয় বলে র‌্যাব জানায়।

নাজমুল হত্যার দৃশ্য দেখে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রতিপক্ষের সদস্যরা প্রতিশোধ নিতে সাইফিসহ তাঁর দলের ১৫ থেকে ১৬ জন সদস্য নিয়ে লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকায় যান। সেখানে প্রতিপক্ষের সদস্য মনজুরুলকে তাঁর বাবার সামনে গুলি ও কুপিয়ে হত্যা করা হয় বলে জানিয়েছে র‌্যাব। সন্ধ্যায় মনজুরুলকে হত্যা করা হয়। পরে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নাজমুলকে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা তাঁকে আশিবিঘা এলাকায় ফেলে রেখে যায়।

ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় অভিযান চালিয়ে কিছু অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। আলামিন হাসান সাইফিকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে শটগান, শটগানের গুলি, পিস্তল ও চাপাতি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

"টুটপাড়া, হরিণটানা ও লবণচরা এলাকায় মাদক কারবার নিয়ন্ত্রণকে কেন্দ্র করে খুলনার দুটি সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছে গ্রেনেড বাবুর ‘বি কোম্পানি’ এবং অপরটি রোহান-পলাশ গ্রুপ।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খুলনার লবণচরা থানার হরিণটানা এলাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আলামিন হাসান সাইফি, নিস্তার আহমেদ, রফিক, মনজুরুল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫-১৬ জন, ১৯ আগস্ট, সাড়ে ৮টা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖