📅 ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

খাগড়াছড়িতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবে কঠিন চীবর দান ও ৮৪ হাজার প্রদীপের আলোতে ধর্মীয় উৎসবের সূচনা

খাগড়াছড়িতে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী উৎসবে কঠিন চীবর দান ও ৮৪ হাজার প্রদীপের আলোতে ধর্মীয় উৎসবের সূচনা

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 খাগড়াছড়ির য়ংড বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মাসব্যাপী উৎসবের অংশ হিসেবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্তুতকৃত কঠিন চীবর ভিক্ষুদের হাতে দান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া

খাগড়াছড়ি জেলায় বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় উৎসব দানোত্তম শুভ কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নানা আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদযাপিত হয়েছে। আজ শুক্রবার য়ংড বৌদ্ধ বিহারে দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে কয়েক হাজার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী অংশগ্রহণ করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্তুতকৃত কঠিন চীবর ভিক্ষুদের হাতে দান করা হয়, যা বৌদ্ধ ধর্মের একটি ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠান।
  • 📌 ৮৪ হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন ও ফানুস উত্তোলন অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ, যা সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় অনুষ্ঠিত হয়।
  • 📌 সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভূঁইয়া প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং সদর উপজেলার ধর্মপুর আর্যবন বিহার ও কল্যাণপুর কেন্দ্রীয় মৈত্রী বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন।
  • 📌 জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা এবং বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এন আবছারসহ বিভিন্ন নেতা ও ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব উপস্থিত ছিলেন।
  • 📌 মাসব্যাপী উৎসব চলবে, যেখানে জেলার বিভিন্ন বৌদ্ধ বিহারে একই সময়ে কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিত হয়।

📰 বিস্তারিত

খাগড়াছড়ির য়ংড বৌদ্ধ বিহারে অনুষ্ঠিত এই ধর্মীয় অনুষ্ঠানের সূচনা হয় পঞ্চশীল গ্রহণের মধ্য দিয়ে। এরপর বুদ্ধমূর্তি দান, অষ্টপরিষ্কার দান, সংঘদান, কল্পতরু দান ও পিণ্ডদানসহ বিভিন্ন ধর্মীয় আচার পালিত হয়। দিনের অন্যতম প্রধান অনুষ্ঠান ছিল কঠিন চীবর দান, যেখানে মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তুলা থেকে সুতা তৈরি করে কাপড় বোনা হয় এবং তা দিয়ে ভিক্ষুদের পরিধেয় চীবর প্রস্তুত করা হয়। এই শ্রমসাধ্য প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে উৎসবটির বিশেষ তাৎপর্য প্রকাশ পায়।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে য়ংড বৌদ্ধ বিহারে ৮৪ হাজার প্রদীপ প্রজ্বালন ও ফানুস উত্তোলন অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংসদ সদস্য ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ওয়াদুদ ভূঁইয়া। তিনি আগে সদর উপজেলার ধর্মপুর আর্যবন বিহার এবং শহরের কল্যাণপুর কেন্দ্রীয় মৈত্রী বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ম্রাসা থোয়াই মারমা, বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য এম এন আবছার, য়ংড বৌদ্ধ বিহার পরিচালনা কমিটির সভাপতি থৈইহ্লপ্রু চৌধুরী, বিহারের অধ্যক্ষ ভদন্ত ক্ষেমাসারা মহাস্থবির এবং সাধারণ সম্পাদক এইচ এম প্রফুল্লসহ অন্যরা।

"মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রস্তুতকৃত এই কঠিন চীবর দান বৌদ্ধ ধর্মের শ্রদ্ধা ও শ্রমের প্রতীক। এটি আমাদের ঐতিহ্যের প্রতি নিবেদিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: খাগড়াছড়ি জেলা, য়ংড বৌদ্ধ বিহার, ধর্মপুর আর্যবন বিহার, কল্যাণপুর কেন্দ্রীয় মৈত্রী বৌদ্ধ বিহার
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওয়াদুদ ভূঁইয়া, ম্রাসা থোয়াই মারমা, এম এন আবছার, থৈইহ্লপ্রু চৌধুরী, ভদন্ত ক্ষেমাসারা মহাস্থবির, এইচ এম প্রফুল্ল
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪ ঘণ্টা, ৮৪ হাজার প্রদীপ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖