📅 ৩১ আগস্ট ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

কদমতলীতে অটোরিকশাচালক হত্যার দায়ে আল-আমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

কদমতলীতে অটোরিকশাচালক হত্যার দায়ে আল-আমিনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

📷 ছবি: Sarabangla

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Sarabangla ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার কদমতলীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ইমন কাজী হত্যা ও মরদেহ গুম মামলায় আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। হত্যার পরিকল্পনা ও আলামত নষ্টের দায়ে একাধিক সাজা দেওয়া হয়েছে

ঢাকা: রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ইমন কাজী হত্যা ও মরদেহ গুমের ঘটনায় আল-আমিন শেখ নামের এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৩ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 আল-আমিন শেখকে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা জরিমানা
  • 📌 হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫ হাজার টাকা জরিমানা
  • 📌 জরিমানা অনাদায়ে আল-আমিনকে আরও ছয় মাস ও এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে
  • 📌 ২০২৩ সালের ৩০ মে ইমন কাজী নিখোঁজ হন, চারদিন পর তার অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার
  • 📌 ঘটনার পাঁচ দিন পর বরিশাল থেকে আল-আমিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ

📰 বিস্তারিত

রাজধানীর কদমতলী এলাকায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক ইমন কাজী হত্যা ও মরদেহ গুমের ঘটনায় আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৩ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ মঈন উদ্দীন চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মো. জহিরুল ইসলাম (কাইয়ুম) রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

রায়ে দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় আল-আমিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের পাশাপাশি ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। এ ছাড়া দণ্ডবিধির ২০১ ধারায় হত্যার আলামত নষ্ট ও মরদেহ গুমের দায়ে তাকে ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড, ৫ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ১ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আদালত উল্লেখ করেন, উভয় দণ্ড একসঙ্গে কার্যকর হবে এবং হাজতে থাকার সময় মূল সাজা থেকে সমন্বয় করা হবে।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৩ সালের ৩০ মে সন্ধ্যায় অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন ইমন কাজী। ওই রাতেই তার মোবাইলফোন বন্ধ পাওয়া যায়। পরে গেণ্ডারিয়ার ফরাশগঞ্জ মাপুর মাজারসংলগ্ন এলাকা থেকে চালকবিহীন অটোরিকশা এবং এর ব্যাটারি উদ্ধার করে পুলিশ। নিখোঁজের চারদিন পর, ৩ জুন রাতে পশ্চিম মোহাম্মদবাগ এলাকার সোনামাবিয়া জামে মসজিদসংলগ্ন একটি পতিত জমির ঝোপ থেকে হাত-পা বাঁধা ও বস্তাবন্দি অবস্থায় ইমনের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা লিটন কদমতলী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, পরকীয়ার সন্দেহ এবং ধার দেওয়া ৫ হাজার টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে আল-আমিন হত্যার পরিকল্পনা করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ঘটনার দিন ইমনকে ভাড়া বাসায় ডেকে এনে কোকের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়। এরপর বাজার থেকে বস্তা ও দড়ি কিনে মরদেহ বস্তাবন্দি করে নির্জন স্থানে ফেলে দেওয়া হয়।

ঘটনার পাঁচ দিন পর, ২০২৩ সালের ৫ জুন বরিশালের হিজলা উপজেলার গোবিন্দপুর খয়া গ্রাম থেকে আল-আমিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ভাড়া বাসা থেকে রক্তমাখা বিছানার চাদর ও নিহতের ব্যবহৃত স্মার্টফোন উদ্ধার করা হয়। পরে তিনি আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

"আদালতের রায়ে আল-আমিন শেখকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। হত্যার পরিকল্পনা ও আলামত নষ্টের দায়ে একাধিক সাজা দেওয়া হয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কদমতলী, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল-আমিন শেখ, ইমন কাজী
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ২০ হাজার টাকা, ৩ বছর, ৫ হাজার টাকা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖