📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ২:৩৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বাংলা চলচ্চিত্রের মহীরুহ জহির রায়হানের ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালিত

বাংলা চলচ্চিত্রের মহীরুহ জহির রায়হানের ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালিত

📷 ছবি: Bangladesh Times

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 বাংলাদেশ টাইমস ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব জহির রায়হানের ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে গভীরভাবে যুক্ত ছিলেন তিনি। জীবনের মাত্র ৩৬ বছরে রেখে গেছেন অমর সব সৃষ্টি।

বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নাম জহির রায়হান। নির্মাতা, লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে তার অবদান অনস্বীকার্য। আজ তার ৯১তম জন্মবার্ষিকী। ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার পিতা ছিলেন কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক ও পরে ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জহির রায়হান বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব
  • 📌 ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন
  • 📌 তার পিতা মাওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ছিলেন কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক
  • 📌 ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন
  • 📌 সাহিত্য ও চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য আদমজী সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন
  • 📌 ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের সময় চলচ্চিত্রকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেন
  • 📌 ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি মিরপুরে নিখোঁজ হন তিনি
  • 📌 জীবনের মাত্র ৩৬ বছরে রেখে গেছেন অমর সব সৃষ্টি

📰 বিস্তারিত

বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল নাম জহির রায়হান। নির্মাতা, লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে তার অবদান অনস্বীকার্য। ভাষা আন্দোলন থেকে মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ও সামাজিক অধ্যায়ের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে ছিল তার জীবন ও কর্ম। আজ তার ৯১তম জন্মবার্ষিকী পালিত হচ্ছে।

১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন জহির রায়হান। তার পিতা মাওলানা মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ছিলেন কলকাতা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যাপক। পরে তিনি ঢাকা আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।

সাংবাদিকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন জহির রায়হান। ‘যুগের আলো’ পত্রিকায় কাজ করার পর বিভিন্ন প্রকাশনার সঙ্গে যুক্ত হন। সাহিত্য ও চলচ্চিত্র- দুই ক্ষেত্রেই নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে গেছেন তিনি। ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘সূর্যগ্রহণ’। এরপর একে একে পাঠকের হাতে আসে ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’, ‘আরেক ফাল্গুন’ ও ‘হাজার বছর ধরে’র মতো কালজয়ী সৃষ্টি। ‘হাজার বছর ধরে’ উপন্যাসের জন্য তিনি লাভ করেন আদমজী সাহিত্য পুরস্কার।

চলচ্চিত্রে জহির রায়হানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৫৭ সালে ‘জাগো হুয়া সাভেরা’ ছবিতে সহকারী হিসেবে কাজ করার মধ্য দিয়ে। ১৯৬১ সালে ‘কখনো আসেনি’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর নির্মাণ করেন ‘কাঁচের দেয়াল’, ‘বেহুলা’, ‘আনোয়ারা’সহ উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র। ১৯৬৪ সালে নির্মাণ করেন পাকিস্তানের প্রথম উর্দু রঙিন চলচ্চিত্র ‘সঙ্গম’। পরের বছর তার হাত ধরেই নির্মিত হয় পাকিস্তানের প্রথম সিনেমাস্কোপ চলচ্চিত্র ‘বাহানা’।

ভাষা আন্দোলনের চেতনা গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল জহির রায়হানকে। ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির চেতনা থেকেই তিনি নির্মাণ করেন ‘জীবন থেকে নেয়া’, যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলিল হয়ে ওঠে। মুক্তিযুদ্ধের সময়ও চলচ্চিত্রকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন জহির রায়হান। ১৯৭১ সালে কলকাতায় গিয়ে বরেণ্য নির্মাতাদের উপস্থিতিতে ‘জীবন থেকে নেয়া’ প্রদর্শন করেন। একই সময়ে মুক্তিযুদ্ধ ও পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার ভয়াবহতা তুলে ধরে নির্মাণ করেন ঐতিহাসিক প্রামাণ্যচিত্র ‘স্টপ জেনোসাইড’।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ১৭ ডিসেম্বর ঢাকায় ফেরেন জহির রায়হান। এরপর তিনি নিখোঁজ বুদ্ধিজীবীদের সন্ধান এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে সক্রিয় হন। গঠিত হয় বুদ্ধিজীবী হত্যা তদন্ত কমিটি। জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের পেছনের মূল ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচন করবেন।

১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারি খবর আসে, তার নিখোঁজ ভাই শহীদুল্লাহ কায়সারকে মিরপুরে আটকে রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে ছোট ভাই জাকারিয়া হাবিব, শ্যালক বাবুল ও শাহরিয়ার কবিরসহ কয়েকজনকে নিয়ে মিরপুরের উদ্দেশে রওনা হন জহির রায়হান। মিরপুরের কালাপানি পানির ট্যাংকের কাছে তৎকালীন বিহারি ও পাকিস্তানি সৈন্যদের অতর্কিত হামলার মুখে পড়েন তারা। ওই হামলায় অনেক সেনাসদস্যের সঙ্গে জহির রায়হানও নিহত হন বলে জানা যায়।

"জহির রায়হান বাংলা সাহিত্য ও চলচ্চিত্রের ইতিহাসে এক অনন্য নাম। তার সৃষ্টিতে যেমন ফুটে উঠেছে মানুষের জীবন, প্রেম ও সমাজবাস্তবতা, তেমনি প্রতিবাদ ও মুক্তির আকাঙ্ক্ষাও পেয়েছে শক্তিশালী ভাষা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মজুপুর গ্রাম
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জহির রায়হান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯১ বছর
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৬ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖