📅 ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:৩১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী লবণশিল্পের ধস: ১০ কারখানা বন্ধ, বাঁচে ৭টি — কীভাবে টিকে থাকবে?

ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী লবণশিল্পের ধস: ১০ কারখানা বন্ধ, বাঁচে ৭টি — কীভাবে টিকে থাকবে?

📷 ছবি: দৈনিক বাংলাদেশ

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Daily Bangladesh ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঝালকাঠির ঐতিহ্যবাহী লবণশিল্পে বিপর্যয়: ১৭টি কারখানার মধ্যে ১০টি বন্ধ হয়ে গেছে। আধুনিক প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়া সনাতনী পদ্ধতির কারখানাগুলো বন্ধের মুখে। বর্তমানে বছরে ২০০ কোটি টাকার লবণ উৎপাদন হলেও দামের সুবিধা নিয়ে চাহিদা রয়েছে আশপাশের এলাকায়

ঝালকাঠি, বাংলাদেশ — ব্রিটিশ আমল থেকে ঐতিহ্যবাহী লবণশিল্পের জন্য পরিচিত ঝালকাঠি শহর এখন বিপর্যয়ের মুখে। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কারখানাগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ায় বন্ধ হয়ে গেছে ১৭টি লবণ কারখানার মধ্যে ১০টি। এখন শুধুমাত্র ৭টি কারখানা চালু রয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ঝালকাঠির ১৭টি লবণ কারখানার মধ্যে ১০টি বন্ধ — বাঁচে শরীফ সল্ট, নিউ ঝালকাঠি সল্টসহ মাত্র ৭টি
  • 📌 ব্রিটিশ আমল থেকে বাসন্ডা নদীর দুই তীরে গড়ে উঠা ঐতিহ্যবাহী কারখানাগুলো আধুনিক প্রযুক্তির প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে
  • 📌 বর্তমানে ঝালকাঠির কারখানাগুলোতে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার লবণ উৎপাদন হয়, কিন্তু দামের সুবিধা নিয়ে চাহিদা রয়েছে আশপাশের এলাকায়
  • 📌 ঝালকাঠির লবণ প্রতি কেজি ২০ থেকে ২২ টাকায় বিক্রি হলেও বড় কোম্পানির প্যাকেটজাত লবণ খুচরা পর্যায়ে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হয়
  • 📌 ব্যবসায়ীরা দাবি, পাইপলাইনে গ্যাস সরবরাহ ও সরকারি সহযোগিতা পেলে ঐতিহ্যবাহী লবণশিল্পকে আবারও প্রতিযোগিতার সক্ষমতায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব

📰 বিস্তারিত

ঝালকাঠি একসময় লবণশিল্পের কারণে ‘দ্বিতীয় কলকাতা’ খ্যাতি পেয়েছিল। ব্রিটিশ আমল থেকে বাসন্ডা নদীর দুই তীরে গড়ে উঠেছিল একের পর এক লবণ কারখানা। কাঁচামাল পরিবহন ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ব্যস্ততায় মুখর থাকত নদীপথ। সময়ের পরিবর্তনে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর লবণ কোম্পানির সঙ্গে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়েছে স্থানীয় শিল্প।

সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ঝালকাঠির ১৭টি লবণ মিলের মধ্যে মিতালী সল্ট, নুর সল্ট ও সুরভি সল্টসহ ১০টি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। বর্তমানে শরীফ সল্ট, নিউ ঝালকাঠি সল্টসহ মাত্র সাতটি মিল চালু রয়েছে। ঝালকাঠির লবণ মিলগুলোতে এখনও মূলত সনাতনী পদ্ধতিতে লবণ প্রক্রিয়াজাত করা হয়। কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম থেকে আনা কাঁচা লবণ শোধন করে, পানি মেশানো লবণের দানা প্রক্রিয়াজাত করে রাসিন মেশিনের মাধ্যমে শুকিয়ে ঝরঝরে করা হয়। পরে বিভিন্ন শিল্পে ব্যবহারের উপযোগী লবণ তৈরি করে আয়োডিন মেশানো হয় এবং প্যাকেটজাত করে বাজারে সরবরাহ করা হয়।

ব্যবসায়ীদের মতে, আধুনিক প্রযুক্তির কারখানাগুলোর সঙ্গে প্রতিযোগিতা কঠিন হলেও ঝালকাঠির লবণ উৎপাদন আগের তুলনায় বেড়েছে। বর্তমানে এখানকার মিলগুলোতে বছরে প্রায় ২০০ কোটি টাকার লবণ উৎপাদন হয়। দামের সুবিধা নিয়ে ঝালকাঠির লবণ আশপাশের এলাকায় চাহিদা পায়। রাজশাহী, পাবনা ও কুষ্টিয়া থেকেও পাইকাররা এসে এখানকার লবণ কিনে নিয়ে যান।

ঝালকাঠি বিসিকের উপব্যবস্থাপক আল আমিন বলেছেন, লবণশিল্পের মান ধরে রাখতে বিসিক সার্বক্ষণিকভাবে সহযোগিতা দিয়ে আসছে। ঝালকাঠি জেলা লবণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল শরীফ বলেছেন, আধুনিক অটোমিলের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে টিকে থাকতে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ এবং ব্যাংকিং সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি আরও বলেছেন, শ্রমিকদের জন্য নতুন মজুরি কাঠামো তৈরির বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।

"আধুনিকায়নের দাবি পূরণ না হলে ঐতিহ্যবাহী লবণশিল্পের ধস অবশ্যম্ভাবী। পর্যাপ্ত মূলধন ও সরকারি সহযোগিতা পেলে বিদেশ থেকে লবণ আমদানি বন্ধ করে শিল্পকে আবারও ঘুরে দাঁড় করানো সম্ভব"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঝালকাঠি, বাসন্ডা নদী, ঝালকাঠি জেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আল আমিন (ঝালকাঠি বিসিক উপব্যবস্থাপক), মো. জামাল শরীফ (ঝালকাঠি জেলা লবণ ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি বন্ধ কারখানা, ৭টি চালু কারখানা, ২০০ কোটি টাকা বার্ষিক উৎপাদন, ২০-২২ টাকা/কেজি লবণ, ৩৫-৪০ টাকা/কেজি বড় কোম্পানির লবণ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖