📌 দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরীয় দুই যুদ্ধবন্দীকে উক্রেন থেকে গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা ও ব্যাখ্যা চেয়েছে। উক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ঘোষণা দিলে দক্ষিণ কোরিয়ার সরকার ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে। উক্রেন দাবি করেছে কোন গোপন চুক্তি ছিল না, যা দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারকে ক্ষোভে ফেলেছে
দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরীয় দুই যুদ্ধবন্দীকে উক্রেন থেকে গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা এবং ব্যাখ্যা চেয়েছে। জাতিসংঘের সাধারণ সভায় উক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কির ঘোষণা দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারকে ক্ষুব্ধ করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে ম্যাং এই বিষয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত একটি পোস্টে বলেছেন যে, এই বিষয়টি আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক, জীবনহানি এবং জাতীয় স্বার্থের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়া উক্রেনের উত্তর কোরীয় দুই যুদ্ধবন্দী হস্তান্তর বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ক্ষমা ও ব্যাখ্যা চেয়েছে, কারণ উক্রেন গোপনীয়তা ভঙ্গ করেছে বলে দাবি করেছে।
- 📌 দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে ম্যাং বলেছেন, উক্রেনের ঘোষণা আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক এবং জাতীয় স্বার্থের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
- 📌 উক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি জাতিসংঘের সাধারণ সভায় ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, উত্তর কোরীয় দুই যুদ্ধবন্দীকে দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
- 📌 উক্রেনের দাবি, কোন গোপনীয়তা চুক্তি ছিল না, যা দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারকে ক্ষুব্ধ করেছে।
- 📌 উক্রেনের রাষ্ট্রপতি বলেছেন, উত্তর কোরীয় দুই যুদ্ধবন্দীকে দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তর করার আগে তারা রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে ধরা পড়েছিল।
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের সাধারণ সভায় উক্রেনের রাষ্ট্রপতি ভলোদিমির জেলেনস্কি ঘোষণা দিয়েছিলেন যে, উক্রেন উত্তর কোরীয় দুই যুদ্ধবন্দীকে দক্ষিণ কোরিয়ায় হস্তান্তর করেছে। তিনি বলেছেন, এই দুই যুদ্ধবন্দীকে ধরা পড়ার সময় তারা রাশিয়ার কুর্স্ক অঞ্চলে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছিল। জেলেনস্কি বলেছেন, “এই দুই ব্যক্তিকে জীবিত ধরা পড়া ছিল কঠিন। একজন যখন বুঝতে পেরেছিল যে তিনি যুদ্ধবন্দী হয়ে যাচ্ছেন, তখন তিনি আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ভাগ্যের কারণে তিনি মারা যাননি।”
জেলেনস্কি আরও বলেছেন, উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে লড়াই করার জন্য হাজার হাজার সৈনিক প্রেরণ করছে। তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সমালোচনা করে বলেছেন, “এটি পাগলামি। কেন কোরীয়রা ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জীবন দিতে চায়? কিম জং উন তাদেরকে মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করছেন এবং কিছু লাভ করছেন।” জেলেনস্কি বলেন, তিনি যদি রাশিয়ায় বন্দী ইউক্রেনীয়দের মুক্তি পেতে পারেন, তবে উত্তর কোরীয়দের কিম জং উনের কাছে হস্তান্তর করতে রাজি থাকবেন।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে ম্যাং এক্সে (টুইটার) পোস্ট করে বলেছেন, “এই বিষয়টি আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক, জীবনহানি এবং জাতীয় স্বার্থের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যারা বিশ্বের সামনে এই হস্তান্তরকে ঘোষণা করে, তারা আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক, জীবনহানি বা জাতীয় স্বার্থের উপর কোনো প্রভাবের কথা ভাবেনি। আমি জানি না উক্রেনের এই ঘোষণা কেন করা হয়েছে, কিন্তু এটি খুবই দুঃখজনক।”
দক্ষিণ কোরিয়া উত্তর কোরীয় যুদ্ধবন্দীদের গ্রহণের বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষার জন্য পূর্বে অস্বীকার করেছিল। তবে জেলেনস্কির ঘোষণা দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারকে ক্ষুব্ধ করেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির সিনিয়র সচিব সেং গি-হং বলেছেন, “রাষ্ট্রপতির কার্যালয় উক্রেনের একপাক্ষিক ঘোষণা এবং এর পরের মিথ্যা দাবি সম্পর্কে ‘গভীর দুঃখ’ প্রকাশ করেছে যে কোন গোপনীয়তা চুক্তি ছিল না।”
"এই বিষয়টি আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক, জীবনহানি এবং জাতীয় স্বার্থের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। যারা বিশ্বের সামনে এই হস্তান্তরকে ঘোষণা করে, তারা আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক, জীবনহানি বা জাতীয় স্বার্থের উপর কোনো প্রভাবের কথা ভাবেনি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতিসংঘের সাধারণ সভা (নিউ ইয়র্ক), কুর্স্ক অঞ্চল (রাশিয়া)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ভলোদিমির জেলেনস্কি (উক্রেনের রাষ্ট্রপতি), লি জে ম্যাং (দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি), সেং গি-হং (দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতির সিনিয়র সচিব)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন উত্তর কোরীয় যুদ্ধবন্দী, ১৪,০০০ থেকে ১৫,০০০ উত্তর কোরীয় সৈনিক রাশিয়ার যুদ্ধে অংশগ্রহণ করছে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!