📌 যশোরের কেশবপুরে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাই ও তাঁদের স্ত্রীদের মধ্যে মারামারিতে চারজন গুরুতর আহত হন। ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে
যশোরের কেশবপুর উপজেলার সন্ন্যাসগাছা গ্রামে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাই ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই ভাই ও তাঁদের দুই স্ত্রী গুরুতর আহত হন। সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ব্যক্তিরা জানান, খালেক মান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষ শুরু হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যশোরের কেশবপুরে সম্পত্তি বিরোধে দুই ভাইয়ের মারামারিতে চারজন আহত
- 📌 খালেক মান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ শুরু হয়
- 📌 আসাবুল দাবি করেন, তাঁর ভাই তাঁকে ও তাঁর স্ত্রীকে মারধর করেছেন
- 📌 মাহবুবুর রহমান জানান, তাঁরা তাঁদের অধিকার নিয়ে দাঁড়িয়েছেন
- 📌 ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে
📰 বিস্তারিত
সোমবার সকালে খালেক মান নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। তাঁর দুই ছেলে মাহবুবুর রহমান ও আসাবুল। জীবদ্দশায় খালেক মান তাঁদের মধ্যে জমি বণ্টন করে দেন। মাহবুবুরকে দেওয়া হয় ১৮ শতক জমি এবং আসাবুলকে দেওয়া হয় ১৫ শতক জমিসহ পারিবারিক বাড়ি। আসাবুলের অভিযোগ, তাঁর ভাই তাঁকে কম মূল্যের জমি দিয়েছেন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে আগে থেকেই বিরোধ ছিল।
খালেক মানকে দাফনের সময় দুই ভাইয়ের মধ্যে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে মারামারি শুরু হয়ে যায়। আসাবুল দাবি করেন, তাঁর ভাই ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ও তাঁর স্ত্রী হালিমাকে মারধর করেন। তাঁর মাথায় আঘাত লাগে এবং তাঁর স্ত্রীকে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়। অন্যদিকে মাহবুবুর রহমান জানান, তাঁরা তাঁদের অধিকার নিয়ে দাঁড়িয়েছেন এবং তাঁদের ওপর হামলা করা হয়েছে।
ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রেকসোনা খাতুন জানান, মারামারির খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং পরিস্থিতি শান্ত হয়। উভয় পক্ষকে অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে।
"খালেক মানকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করতে বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই। তাঁর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দুই ভাইয়ের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যশোরের কেশবপুর উপজেলার সন্ন্যাসগাছা গ্রাম
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আসাবুল, মাহবুবুর রহমান, খালেক মান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫ বছর, ৫২ বছর, ৭৫ বছর, ১৫ শতক, ১৮ শতক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!