📅 ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৩:৪০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

যমুনা নদীর শহড়াবাড়ি স্পারে নতুন ভাঙনে ১৫০ মিটার হারিয়ে গেল

যমুনা নদীর শহড়াবাড়ি স্পারে নতুন ভাঙনে ১৫০ মিটার হারিয়ে গেল

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙন দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে শনিবারের মধ্যে স্পারের ১৫০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয়দের ফসলি জমি ও বাড়িঘর বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত যমুনা নদীর শহড়াবাড়ি স্পারে আবারও ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে স্পারের ১৫০ মিটার অংশ যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে ইতোমধ্যে পানিতে বালুভর্তি জিও ট্যাক্স ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যাগ ফেলা হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শহড়াবাড়ি স্পারের ১৫০ মিটার অংশ যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে
  • 📌 গত ২ জুলাই ও ১২ জুলাই দুই দফায় স্পারের প্রায় ৮০ মিটার অংশ ধসে পড়েছিল
  • 📌 স্পার নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা
  • 📌 স্থানীয়দের ফসলি জমি ও বাড়িঘর বিপন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে
  • 📌 বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক ভাঙন রোধে জিওব্যাগ ফেলার কথা জানান

📰 বিস্তারিত

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়নে অবস্থিত যমুনা নদীর শহড়াবাড়ি স্পারে ভাঙনের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময়ের মধ্যে স্পারের ১৫০ মিটার অংশ যমুনা নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন প্রতিরোধে ইতোমধ্যে পানিতে বালুভর্তি জিও ট্যাক্স ব্যাগ ও জিও টিউব ব্যাগ ফেলা হয়েছে। এর আগে গত ২ জুলাই ও ১২ জুলাই দুই দফায় স্পারের প্রায় ৮০ মিটার অংশ ধসে পড়েছিল।

স্পার হলো নদীতীর রক্ষা বাঁধের মতো একটি প্রকৌশল কাঠামো, যা নদীতীর থেকে স্রোতের দিকে লম্ব বা তির্যকভাবে নদীর ভেতরে নির্মাণ করা হয়। এটি নদীর তীব্র স্রোতকে প্রতিহত ও অন্যদিকে ঘুরিয়ে দিয়ে পাড় ভাঙন রোধ করে। বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের অর্থায়নে যমুনা নদীর ভাঙনরোধে ২০০৩ সালে শহড়াবাড়ি ও বানিয়াজান গ্রামের কাছে নদীর আড়াআড়িভাবে ১ হাজার ১০০ মিটার দৈর্ঘ্য করে দুটি স্পার নির্মাণ করা হয়েছিল। নির্মাণে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৬ কোটি টাকা। দুটি স্পারের মাথায় নদীর ভেতরে স্পাইলিং করে ৩০০ মিটার কংক্রিট ঢালাই করা হয়েছিল।

স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণের পর থেকে বর্ষাকালে শহড়াবাড়ি স্পারের কংক্রিট স্পাইলিং বারবার ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। বাকি ৮০০ মিটার স্পার ছিল মাটির তৈরি। এই স্পার রক্ষায় নদীর ভেতরে হাজার হাজার বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলা হলেও ভাঙন রোধ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানে নদীর পানি কমে যাওয়ায় যমুনায় প্রবল স্রোত দেখা দিয়েছে। সেই স্রোতে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে শহড়াবাড়ি স্পারের মাঝখান থেকে মাথা পর্যন্ত ১৫০ মিটার অংশ যমুনায় বিলীন হয়ে গেছে।

এর আগে ২ জুলাই স্পারের মাঝখানের অংশে ৫০ মিটার ধসে যায়। গত ১২ জুলাই স্পারের সামনের অংশ থেকে আরও ৩০ মিটার অংশ নদীতে ধসে পড়ে। স্পারের দক্ষিণ পাশে গত কয়েক দিনের ভাঙনে শহড়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা খোকা মিয়া, জহেরা খাতুন, আব্দুল রাজ্জাক, মাহমুদুল হাসান, রবিউল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম, আইয়ুব আলী, গফুর খাঁ, হাফিজার রহমানসহ অনেকের ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে।

"যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পূর্বপাশে আমার তিন একর ফসলি জমি ছিল। সব জমি ভেঙে নদীগর্ভে চলে গেছে।" — শহড়াবাড়ি গ্রামের রবিউল ইসলাম
"ভাঙন রোধ না করা গেলে পুরো এলাকা ভেঙে শেষ হয়ে যাবে। কারও ঘরবাড়ি, জমি কিছুই থাকবে না।" — শহড়াবাড়ি গ্রামের মাহমুদুল হাসান

বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী আব্দুল মালেক জানান, এর আগে দুই দফা প্রায় ৮০ মিটার ভেঙে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সেখানে মেরামত করা শেষ না হতেই বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকে আবারও নতুন করে ভাঙন দেখা দিয়েছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত স্পারের পাশ দিয়ে নদীতে জিও টিউব ও জিও টেক্সট ব্যাগ ফেলে ভাঙন রোধের চেষ্টা চলছে।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ভান্ডারবাড়ি ইউনিয়ন, ধুনট, বগুড়া
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল মালেক (উপসহকারী প্রকৌশলী, পানি উন্নয়ন বোর্ড), রবিউল ইসলাম (স্থানীয় বাসিন্দা), মাহমুদুল হাসান (স্থানীয় বাসিন্দা)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৫০ মিটার, ৮০ মিটার, ৫০ মিটার, ৩০ মিটার, ৬ কোটি টাকা, ১ হাজার ১০০ মিটার, ৩০০ মিটার

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖