📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জাতীয় সংসদ কমিটিতে অমুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিলের সুপারিশ জামুকা কর্তৃক

জাতীয় সংসদ কমিটিতে অমুক্তিযোদ্ধাদের গেজেট বাতিলের সুপারিশ জামুকা কর্তৃক

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ২০১০ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ছয় হাজার চারশত পঁয়ষট্টি জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশ করেছে। সাংসদীয় কমিটির বৈঠকে মুক্তিযোদ্ধা তালিকা ও ভাতাপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে করা আবেদনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) কর্তৃক ছয় হাজার চারশত পঁয়ষট্টি জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। বৈঠকে আরও জানানো হয়, ২০১০ সালে জামুকা গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত আঠারো হাজার চারশত সতেরোজনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির সুপারিশ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সাতশত আটষট্টিজন শহীদ, একশত আটানব্বইজন যুদ্ধাহত, পাঁচশত উনত্রিশজন বীরাঙ্গনা এবং ষোল হাজার নয়শত বাহাত্তরজন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জামুকা কর্তৃক গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে ছয় হাজার চারশত পঁয়ষট্টি জন অমুক্তিযোদ্ধার
  • 📌 ২০১০ সাল থেকে এ পর্যন্ত আঠারো হাজার চারশত সতেরোজনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির সুপারিশ
  • 📌 তালিকাভুক্তদের মধ্যে সাতশত আটষট্টিজন শহীদ, একশত আটানব্বইজন যুদ্ধাহত ও পাঁচশত উনত্রিশজন বীরাঙ্গনা
  • 📌 বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য দুইশত বাহাত্তরটি আবেদন অপেক্ষমাণ
  • 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত উপকমিটির যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়া একশত চারজন মুক্তিযোদ্ধার গেজেটভুক্তিও অপেক্ষমাণ
  • 📌 ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে করা দুইশত দুইটি আবেদন শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ

📰 বিস্তারিত

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকে জামুকা কর্তৃক ছয় হাজার চারশত পঁয়ষট্টি জন অমুক্তিযোদ্ধার গেজেট বাতিলের সুপারিশের বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়। বৈঠকে জানানো হয়, ২০১০ সালে জামুকা গঠনের পর থেকে এ পর্যন্ত আঠারো হাজার চারশত সতেরোজনকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে তালিকাভুক্তির সুপারিশ করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে সাতশত আটষট্টিজন শহীদ, একশত আটানব্বইজন যুদ্ধাহত, পাঁচশত উনত্রিশজন বীরাঙ্গনা এবং ষোল হাজার নয়শত বাহাত্তরজন সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা রয়েছেন।

জামুকা সূত্রে জানানো হয়, বীরাঙ্গনা হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য দুইশত বাহাত্তরটি আবেদন বর্তমানে অপেক্ষমাণ রয়েছে। এছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে গঠিত উপকমিটির যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুপারিশ পাওয়া একশত চারজন মুক্তিযোদ্ধার গেজেটভুক্তিও অপেক্ষমাণ। ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের বিরুদ্ধে করা দুইশত দুইটি আবেদন শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে বলে বৈঠকে জানানো হয়।

সংসদ সচিবালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়, জামুকা, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান অধিদপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে কমিটিকে অবহিত করা হয়। কমিটির সভাপতি মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান, প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, ফজলুর রহমান, আব্দুল হান্নান, আমীর এজাজ খান ও রোকেয়া বেগম উপস্থিত ছিলেন।

"জামুকা কর্তৃক গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে ছয় হাজার চারশত পঁয়ষট্টি জন অমুক্তিযোদ্ধার। এছাড়া দুইশত দুইটি আবেদন শুনানির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মনিরুল হক চৌধুরী, আহমেদ আযম খান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ছয় হাজার চারশত পঁয়ষট্টি

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖