📅 ৬ নভেম্বর ২০২৬, ৯:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ছাদে বাগান গড়ে উঠলো ১২০টি ফল-ফুলের গাছের জাদু: জামালপুরের ছেলের স্বপ্নের প্রকৃতি উদ্যোগ

ছাদে বাগান গড়ে উঠলো ১২০টি ফল-ফুলের গাছের জাদু: জামালপুরের ছেলের স্বপ্নের প্রকৃতি উদ্যোগ

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জামালপুরের শাহপুর এলাকায় এক শিক্ষার্থী নিজের ছাদে ৭০ ধরনের ফল ও ৫০ ধরনের ফুলের গাছ লাগিয়ে বাগান গড়ে তুলেছেন। ২০১২ সাল থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে বর্তমানে ১২০টি গাছ রয়েছে। পরিবেশ রক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ছাদবাগান জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করতে পারে

জামালপুরের শাহপুর এলাকায় এক শিক্ষার্থী নিজের ছাদে একটি স্বপ্নের বাগান গড়ে তুলেছেন। ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের সপ্তম সেমিস্টারের শিক্ষার্থী তানজিদ ইসলাম (২৬) একতলা বাড়ির ছাদে ৭০ ধরনের ফল ও ৫০ ধরনের ফুলের গাছ লাগিয়ে বাগানটি গড়ে তুলেছেন। বর্তমানে ছাদে প্রায় ১২০টি গাছ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে কমলা, আঙুর, পেয়ারা, ডালিম, ড্রাগন, গোলাপ, জবা, বাগানবিলাস প্রভৃতি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তানজিদ ইসলাম (২৬) জামালপুরের শাহপুর এলাকায় নিজের ছাদে ৭০ ধরনের ফল ও ৫০ ধরনের ফুলের গাছ লাগিয়ে বাগান গড়ে তুলেছেন
  • 📌 বাগানে রয়েছে কমলা, আঙুর, পেয়ারা, মাল্টা, চেরি, সফেদা, জাম, আনারস, ডালিম, সবুজ আপেল, ড্রাগন, লেবু, গোলাপ, জবা, রঙ্গন, বাগানবিলাস, হাসনাহেনা, বেলি, কাঁটামুকুট, কাঠগোলাপসহ ১২০টি গাছ
  • 📌 ২০১২ সালে মাতৃভাষা দিবসে ফুল পাওয়ার অভিমান থেকে শুরু হওয়া এই প্রকল্পে তানজিদের মা মনোয়ারা বেগমের বাড়িতে টিনশেড থাকা সত্ত্বেও তিনি জেদি হয়ে গাছের পরিচর্যা শিখতে শুরু করেন
  • 📌 ২০২২ সালের ডিসেম্বর থেকে ছাদে বাগান তৈরির কাজ শুরু করে তানজিদ। বর্তমানে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজনদের পাশাপাশি প্রতিবেশীদেরও বাগানের ফল-ফুল দেওয়া হয়
  • 📌 পরিবেশ বিশেষজ্ঞ জাহাঙ্গীর সেলিম বলেছেন, ছাদবাগান জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ হিসেবে কাজ করতে পারে

📰 বিস্তারিত

তানজিদ ইসলামের বাগান গড়ে উঠার গল্প শুরু হয় ২০১২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাবার জন্য তিনি মায়ের কাছে ফুলের বায়না ধরেন। কিন্তু প্রতিবেশীর বাগানমালিক একটি ফুলও দিতে রাজি হননি। সেই ঘটনাটি তানজিদের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। তিনি বলেন, ‘সেদিন মা খুব কষ্ট পেয়েছিলেন। মায়ের মন খারাপ দেখে আমিই বলেছিলাম, একদিন আমিই নিজের একটি বাগান করব।’

স্বপ্ন ছিল, কিন্তু জায়গা ছিল না। তানজিদের বাড়ি ছিল টিনশেডের। তবু তিনি দমে যাননি। তিনি বিভিন্ন নার্সারিতে ঘুরে গাছের পরিচর্যা ও লাগানোর কৌশল শিখতে শুরু করেন। ইউটিউবেও তিনি বাগান তৈরির নানা পদ্ধতি দেখেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে তাঁদের বাড়ির ছাদঢালাইয়ের কাজ শেষ হলে তিনি বাগানের প্রস্তুতি শুরু করেন। টব, মাটি, সারসহ নানা উপকরণ জোগাড় করে তিনি একে একে ছাদে ফুল ও ফলের গাছ লাগিয়ে শুরু করেন।

তানজিদের মা মনোয়ারা বেগম প্রথমে ছেলের এই উদ্যোগে খুশি ছিলেন না। তিনি বলেন, ‘প্রথম দিকে ছেলে যখন অনেক পরিশ্রম করে ছাদে বাগান করা শুরু করে, তখন আমি বকাঝকা করতাম। কিন্তু ধীরে ধীরে যখন বাগানটি সুন্দর হয়ে উঠতে শুরু করল, আমাদেরও ভালো লাগতে লাগল।’ তিনি আরও বলেন, ‘ফরমালিনমুক্ত ও নিরাপদ ফল খেতে পারছি, এটা আমাদের জন্য অনেক আনন্দের। এখন ছেলের এই ছাদবাগান আমাদের পরিবারের সবার আনন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে।'

জামালপুরের পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও দ্রুত নগরায়ণের কারণে শহরে গাছপালা ও জলাধার কমছে। এ পরিস্থিতিতে ছাদবাগান হতে পারে কার্যকর প্রকৃতিনির্ভর উদ্যোগ। তিনি বলেন, ‘প্রতিটি ভবনের ছাদে পরিকল্পিতভাবে গাছ লাগানো হলে বাড়ির সৌন্দর্য বাড়বে, চারপাশের তাপমাত্রা কমবে। এতে বায়ু দূষণও কমবে।'

"গাছের প্রতি ভালোবাসা আর সেদিনের ঘটনাটি আমাকে একরকম জেদি করে তুলেছিল। সেই জেদ থেকেই আজকের এই বাগান।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জামালপুর, শাহপুর এলাকা, জামতলা মোড়
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: তানজিদ ইসলাম (২৬), মনোয়ারা বেগম, জাহাঙ্গীর সেলিম
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ ধরনের ফলগাছ, ৫০ ধরনের ফুলগাছ, ১২০টি গাছ, ১ হাজার ৬০০ বর্গফুট ছাদ, ৮০০ মিটার দূরত্ব

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖