📌 গুম প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক চুক্তিতে যুক্ত হওয়া আইনের পরিবর্তে সরকার নতুন আইন প্রস্তাব করেছে বলে অভিযোগ তুলেছেন জামায়াত নেতা ও সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত আইনে গুম-সংক্রান্ত কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে, যা ভুক্তভোগীদের অভিযোগ দায়েরে ভীতির কারণ হবে
ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) বলেছেন, সরকার গুম প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক চুক্তিতে যুক্ত হওয়া আইনের পরিবর্তে এমন একটি আইন প্রস্তাব করেছে, যা গুমের পথকে আরও প্রশস্ত করবে। তিনি এক আলোচনা সভায় বলেন, "মজলুমদের হাত দিয়ে যে আইন তৈরি হচ্ছে, তা আসলে গুমের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের পথকে সুগম করবে।" শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় তিনি এ অভিযোগ তুলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ঢাকা-১৪ আসনের এমপি মীর আহমাদ বিন কাসেম সরকারের প্রস্তাবিত গুম-সংক্রান্ত আইনের সমালোচনা করেন
- 📌 তিনি বলেন, নতুন আইনে গুম-সংক্রান্ত কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে
- 📌 ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে তাকে শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি
- 📌 আইনমন্ত্রীর শক্তিশালী আইন করার আশ্বাসের বিপরীতে প্রস্তাবিত আইনকে 'কাগুজে বাঘ' বলে অভিহিত করেন
- 📌 আলোচনা সভায় অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন, নূর খান লিটন, শহিদুল আলম প্রমুখ
📰 বিস্তারিত
মীর আহমাদ বিন কাসেম তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকার গুম প্রতিরোধে জাতিসংঘের সঙ্গে আন্তর্জাতিক চুক্তিতে যুক্ত হয়ে যে আইন করেছিল, তা ভুক্তভোগী ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে নিরপেক্ষ তদন্তের সুযোগ তৈরি করেছিল। তবে বর্তমান সরকার সেই আইনের পরিবর্তে নতুন একটি আইন প্রস্তাব করেছে, যা গুম-সংক্রান্ত কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করবে। তিনি বলেন, "এই আইনের মাধ্যমে সরকার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এমন বার্তা দিচ্ছে যে, তারা যা খুশি তাই করতে পারবে, তাদের জবাবদিহিতা করার কেউ থাকবে না।"
তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, প্রস্তাবিত আইনে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দায়ের করলে সেই অভিযোগ আদালতে ভুল প্রমাণিত হলে তাদের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তাঁর মতে, এটি ভুক্তভোগীদের পরিবারকে অভিযোগ দায়েরে ভীতির মধ্যে ফেলবে। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন, সাবেক গুম-সংক্রান্ত কমিশনের সদস্য নূর খান লিটন, আলোকচিত্রী শহিদুল আলম, সাবেক গুম-সংক্রান্ত কমিশনের সদস্য নাবিলা ইদ্রিস প্রমুখ।
"মজলুমদের হাত দিয়ে যে আইন হচ্ছে, তা গুমের পথ সুগম করবে। অন্তর্বর্তী সরকার যে আইন করেছিল, তা ছিল ভুক্তভোগী ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে। কিন্তু বর্তমান সরকারের প্রস্তাবিত আইনে গুম-সংক্রান্ত কমিশন ও মানবাধিকার কমিশনের ক্ষমতা খর্ব করা হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় প্রেসক্লাব, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীর আহমাদ বিন কাসেম (ঢাকা-১৪ আসনের এমপি)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ (ঢাকা আসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!