📅 ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বুটেক্সের সাবেক শিক্ষার্থীর অভাবনীয় উচ্চশিক্ষা জয়: বিশ্বের ১০ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুযোগ

বুটেক্সের সাবেক শিক্ষার্থীর অভাবনীয় উচ্চশিক্ষা জয়: বিশ্বের ১০ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সুযোগ

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী সাকিব আল মুনতাসির বিশ্বের দশটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর নির্বাচিত প্রতিষ্ঠান সৌদি আরবের কিং ফাহাদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলসে পিএইচডি করার সুযোগ মিলেছে সম্পূর্ণ অর্থায়নে

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুটেক্স) ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাকিব আল মুনতাসির বিশ্বের দশটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে পিএইচডি এবং আটটি থেকে স্নাতকোত্তরের সুযোগ রয়েছে। অবশেষে গবেষণা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ভিত্তিতে সৌদি আরবের কিং ফাহাদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলসে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এই সুযোগের সঙ্গে সম্পূর্ণ অর্থায়নের বৃত্তিও পেয়েছেন তিনি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাকিব আল মুনতাসির বিশ্বের ১০টি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন
  • 📌 দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি এবং আটটি থেকে স্নাতকোত্তরের সুযোগ মিলেছে তাঁর
  • 📌 সৌদি আরবের কিং ফাহাদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলসে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি
  • 📌 সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অব বোরাস, যুক্তরাষ্ট্রের টুলেন ইউনিভার্সিটি ও ক্লেমসন ইউনিভার্সিটিসহ মোট দশটি প্রতিষ্ঠান থেকে সুযোগ পেয়েছেন তিনি
  • 📌 সাকিবের আবেদনের শক্তিশালী দিক ছিল তাঁর মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের দক্ষতা
  • 📌 আইইএলটিএসে ৭.৫ স্কোর অর্জন করেছেন তিনি

📰 বিস্তারিত

বুটেক্সের ৪৪তম ব্যাচের শিক্ষার্থী সাকিব আল মুনতাসির বিশ্বের দশটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেয়েছেন। তাঁর মধ্যে দুটি প্রতিষ্ঠান থেকে পিএইচডি এবং আটটি থেকে স্নাতকোত্তরের সুযোগ রয়েছে। অবশেষে গবেষণা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার ভিত্তিতে সৌদি আরবের কিং ফাহাদ ইউনিভার্সিটি অব পেট্রোলিয়াম অ্যান্ড মিনারেলসে ম্যাটেরিয়াল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এই সুযোগের সঙ্গে সম্পূর্ণ অর্থায়নের বৃত্তিও পেয়েছেন তিনি।

সাকিবের মাস্টার্সের সুযোগের তালিকায় রয়েছে সুইডেনের ইউনিভার্সিটি অব বোরাসে টেকনিক্যাল টেক্সটাইল ইনোভেশন, যুক্তরাষ্ট্রের টুলেন ইউনিভার্সিটিতে ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ক্লেমসন ইউনিভার্সিটিতে এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং। এ ছাড়া নর্থইস্টার্ন ইউনিভার্সিটি কলেজ অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং, ইউনিভার্সিটি অব ভার্জিনিয়ায় ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইউনিভার্সিটি অব ব্রিস্টলে সাসটেইনেবল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন তিনি। যুক্তরাজ্যের কিংস্টন ইউনিভার্সিটিতে সাসটেইনেবল ফ্যাশন এবং হেরিয়ট-ওয়াট ইউনিভার্সিটিতে ফ্যাশন অ্যান্ড টেক্সটাইলস ম্যানেজমেন্টেও সুযোগ পেয়েছেন তিনি।

সাকিবের উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন ছিল দীর্ঘদিনের। বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই তিনি বিদেশে পড়াশোনার ইচ্ছা পোষণ করতেন। তবে স্বপ্নকে পরিকল্পনায় রূপ দেন স্নাতকের শেষ সেমিস্টারে। প্রচলিত ধারার বাইরে গিয়ে তিনি স্নাতক শেষ করেই সরাসরি পিএইচডির সুযোগ তৈরি করেছেন। তাঁর মতে, আবেদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গা ছিল মাঠপর্যায়ের পেশাগত অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের দক্ষতা।

"আবেদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে শক্তিশালী জায়গা ছিল মাঠপর্যায়ের পেশাগত অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্বের দক্ষতা।"

বুটেক্সে পড়ার সময় শুধু বইয়ের পাতায় আটকে থাকেননি সাকিব। পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন ক্লাব ও সংগঠনে সক্রিয় ছিলেন তিনি। স্নাতক জীবনের শেষ ভাগে দায়িত্ব পালন করেছেন বুটেক্স বিজনেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে। ২০২৪ সালে বুটেক্সে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ছিলেন ‘হেড অব ভলান্টিয়ার্স’। এ ছাড়া জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ের দশটির বেশি সংগঠনে যুক্ত ছিলেন তিনি।

সাকিবের ভাষায়, এসব অভিজ্ঞতা শুধু বিশ্ববিদ্যালয়জীবনকে সমৃদ্ধ করেনি; স্কলারশিপের চূড়ান্ত ভাইভা বোর্ডেও আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। স্নাতক শেষে কর্মজীবনেও থেমে থাকেননি তিনি। কাজ করেছেন রিড কনসালট্যান্সি বাংলাদেশে সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড সার্কুলারিটি ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে। সেখানে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এবং বিশ্বখ্যাত ফ্যাশন ব্র্যান্ডের হয়ে কাজ করার সুযোগ পান। দেশের ভেতর ও বাইরে পঞ্চাশটির বেশি টেক্সটাইল কারখানায় উৎপাদনসংশ্লিষ্ট প্রক্রিয়ার উন্নয়ন, গবেষণা ও উন্নয়ন, প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি সহায়তায় যুক্ত ছিলেন তিনি।

উচ্চশিক্ষার আবেদনে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ আইইএলটিএস। সেখানেও সাকিবের গল্পটা একটু অন্য রকম। ফুলটাইম চাকরির কারণে নিয়মিত প্রস্তুতির সময় বের করা কঠিন ছিল। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে এক সপ্তাহের কম ছুটি পান তিনি। সেই অল্প সময়ে প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তিনি। কোনো কোচিং নয়, নিজের মতো করে প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় বসেন। ফল—আইইএলটিএসে ৭.৫ স্কোর অর্জন করেন তিনি।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সাকিব আল মুনতাসির
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০টি বিশ্ববিদ্যালয়, ৪৪তম ব্যাচ, ৫০টি কারখানা

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖