📌 জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জেরে চাচা মহর আলী ও ভাতিজা স্বপন মিয়াকে হত্যার দায়ে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড ও সাতের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঘটনায় দাহ্য পদার্থ দিয়ে মরদেহের মুখ ঝলসে দেওয়া হয়েছিল
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জেরে চাচা মহর আলী ও তাঁর ভাতিজা স্বপন মিয়াকে হত্যার দায়ে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড ও সাত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেকে ৫০ হাজার টাকা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন। পরে তাঁদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পূর্বশত্রুতার জেরে চাচা মহর আলী ও ভাতিজা স্বপন মিয়াকে হত্যার দায়ে সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড
- 📌 যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামির প্রত্যেকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা
- 📌 মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. শাখাওয়াত (৩১), মো. সোহেল (৩০), আল আমিন (৩০), মো. সাদ্দাম (৩০), মো. অন্তর (৩০), মো. উজ্জ্বল (৩১) ও মো. ফয়জুর (৩২)
- 📌 যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চান মিয়া (৫০), মো. জিয়ার (৪৫), মো. শাহ আলম (৪৪), মো. কাওছার (৩০), মো. সুমন (৩১), মো. রিফাত (৩২) ও মো. মোস্তফা (৫০)
- 📌 হত্যার ঘটনা ঘটে ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে গানবাজনার অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে
📰 বিস্তারিত
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে চাচা মহর আলী (১৯) ও তাঁর ভাতিজা স্বপন মিয়া (১৬)-কে হত্যার দায়ে আদালত সাত আসামির মৃত্যুদণ্ড ও সাত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. শাখাওয়াত, মো. সোহেল, আল আমিন, মো. সাদ্দাম, মো. অন্তর, মো. উজ্জ্বল ও মো. ফয়জুর। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন চান মিয়া, মো. জিয়ার, মো. শাহ আলম, মো. কাওছার, মো. সুমন, মো. রিফাত ও মো. মোস্তফা।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে গানবাজনার অনুষ্ঠানে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে আসামিরা মহর আলী ও স্বপন মিয়াকে ডেকে নিয়ে যান। পরে তাঁদের জোড়খালী ইউনিয়নের কুকুরমারী এলাকার একটি পাটখেতে নিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয়। পরিচয় গোপনের উদ্দেশ্যে দাহ্য পদার্থ দিয়ে মরদেহের মুখ ঝলসে দেওয়া হয়েছিল। ঘটনার তিন দিন পর পুলিশ পাটখেত থেকে লাশ উদ্ধার করে।
এ ঘটনায় স্বপন মিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর আলম বাদী হয়ে ২২ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম জানান, দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয়। আদালতে ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয় এবং অভিযোগটি প্রমাণিত হওয়ায় সাতজনকে মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
"দীর্ঘ শুনানিতে অভিযোগটি প্রমাণিত হওয়ায় সাতজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড ও সাত আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাদারগঞ্জ উপজেলা, জামালপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন, সরকারি কৌঁসুলি মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম, স্বপন মিয়ার বাবা জাহাঙ্গীর আলম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ জন, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত ৭ জন, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা ও ২০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!