📌 কুষ্টিয়ার লালন শাহ মাজারে এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ডিম ছুড়ে হামলা করা হয়। হাসনাত আবদুল্লাহ অভিযোগ করেন, এ হামলা পঞ্চমটি। ভিডিওতে দেখা যায় নেতাকর্মীদেরকে 'ধর, ধর' বলে ধাওয়া করা হচ্ছিল
কুষ্টিয়ার লালন শাহ মাজার এলাকায় এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ডিম ছুড়ে হামলা করা হয়। রোববার (৪ অক্টোবর) সন্ধ্যায় লালন শাহ মাজার থেকে বের হওয়ার সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ভক্তদের সঙ্গে ছবি তুলছিলেন। হামলাকারীরা তাকে লক্ষ্য করে ডিম ছুড়ে মারেন এবং তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীদেরও ধাওয়া করেন। ঘটনাস্থলে প্রায় ৩০ মিনিট তিনি অবরুদ্ধ ছিলেন বলে জানা গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কুষ্টিয়ার লালন শাহ মাজারে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ডিম ছুড়ে হামলা করা হয়
- 📌 হাসনাত আবদুল্লাহ দাবি করেন, এ হামলা পঞ্চমটি — বিএনপি সরকারের সময় থেকে
- 📌 ভিডিওতে দেখা যায় নেতাকর্মীদেরকে 'ধর, ধর' বলে ধাওয়া করা হচ্ছিল
- 📌 ঝিনাইদহ ও হবিগঞ্জেও আগে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে হামলার শিকার হয়েছিলেন
📰 বিস্তারিত
এনসিপির নেতা ও কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ তুলেছেন। তিনি লিখেছেন, কুষ্টিয়ায় আবারও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ঘটেছে। তার মতে, বিএনপি সরকারের সময় থেকে এ হামলা পঞ্চমটি। তিনি আরও বলেছেন, বারবার হামলা ও ভয়ভীতি চালিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কণ্ঠ স্তব্ধ করা যাবে না। তিনি ন্যায়, অধিকার ও আজাদীর লড়াইকে কোনো বাধা থামাতে পারবে না বলে দাবি করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও তার সঙ্গে থাকা নেতাকর্মীদেরকে 'ধর, ধর' বলে ধাওয়া করতে দেখা যায়। তবে ভিডিওটির সত্যতা এবং ঘটনার বিস্তারিত স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনা ঘটার আগে গত ২২ মে ঝিনাইদহ পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এবং ২৮ জুলাই হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায়ও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে হামলার শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছিল।
"কুষ্টিয়ায় আবারও নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলা ঘটেছে। তার দাবি, বিএনপি সরকারের সময় এটি পঞ্চম হামলা।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: লালন শাহ মাজার, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, হাসনাত আবদুল্লাহ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ মিনিট (অবরুদ্ধ), ৪ অক্টোবর (তারিখ), ৪ (আসন), ২২ মে ও ২৮ জুলাই (পূর্ববর্তী হামলা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!