📌 বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জোট ত্যাগের গুঞ্জন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বিরোধী দলের জন্য 'ছায়া মন্ত্রিসভা' গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছেন বলে দাবি করেন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মঙ্গলবার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনায় অংশ নিয়ে জানান, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জোট ত্যাগের গুঞ্জন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি স্পষ্ট করেন যে, এনসিপি বা জামায়াত কারও রাজনৈতিক আলোচ্যসূচিতেই এই বিষয়টি স্থান পায়নি।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানান, এনসিপির জোট ত্যাগের গুঞ্জন সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন
- 📌 বিরোধী দল গঠন করবে 'ছায়া মন্ত্রিসভা' — প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে বলে দাবি
- 📌 সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক উন্নয়ন বরাদ্দের অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি
- 📌 সাংসদীয় রীতি লঙ্ঘনের অভিযোগে সংরক্ষিত নারী সদস্যদের অতিরিক্ত দায়িত্বের সমালোচনা
- 📌 জনগণের ৭০ শতাংশ সংস্কারপন্থি মতামতের প্রতি সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্য থেকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) বেরিয়ে যাওয়ার গুঞ্জনকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয় পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এনসিপির জোট ত্যাগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'যার বাড়িতে বিয়ে তার কোনো ঠেকা নাই, আর পাড়া-পড়শির ঘুম নাই—এ রকম বিষয় এটি।' তিনি স্পষ্ট করেন যে, তাদের এই সমঝোতা কোনো স্থায়ী বা আনুষ্ঠানিক জোটের কাঠামো নয়; বরং একটি কার্যকর নির্বাচনী সমঝোতা ছিল। বর্তমানে জনগণের মৌলিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে তারা যুগপৎভাবে রাজপথের আন্দোলন পরিচালনা করছেন।
সরকারের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক উন্নয়ন বরাদ্দের অভিযোগ তুলে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারদলীয় সংসদ সদস্যদের এলাকার তুলনায় বিরোধীদলীয় আসনগুলোতে উন্নয়ন বরাদ্দ দেওয়ার ক্ষেত্রে চরম বৈষম্য করা হচ্ছে। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকারদলীয় নেতারা জনসমক্ষে বক্তব্য দিচ্ছেন যে ভোট জামায়াতকে দিলে উন্নয়ন ক্ষমতাসীনদের কাছে চাওয়া যাবে না। অথচ সাংবিধানিকভাবে উন্নয়ন কোনো অনুকম্পা নয়, এটি প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার।
সাংসদীয় রীতি ও সংবিধানের বাইরে গিয়ে বিরোধীদলীয় আসনগুলোতে সংরক্ষিত নারী সংসদ সদস্যদের অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেন তিনি। গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারের উদাসীনতার অভিযোগ এনে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ টেকসই সংস্কারের পক্ষে সুস্পষ্ট গণরায় দিলেও জাতীয় নির্বাচনে বড় জয় পাওয়ার পর সরকার সেই প্রতিশ্রুতি ভুলে গেছে।
"সরকার সংকট সমাধানের পথ এড়িয়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে বিরোধীদের রাজপথে নামতে হয়েছে।"
এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম জানান, ফ্যাসিবাদী কাঠামোর সামগ্রিক বিলোপ এবং নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সংসদ ও রাজপথের এই ঐক্য অটুট থাকবে। তিনি জানান, জনস্বার্থে রাজপথে সক্রিয় লড়াই অব্যাহত থাকবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলামোটর, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. শফিকুর রহমান (বিরোধীদলীয় নেতা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৭০ শতাংশ (জনগণের সংস্কারপন্থি মতামত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১১ দল (নির্বাচনী ঐক্য)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!