📅 ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭:১৩ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত পাওয়ার ঘটনা: সিলেটের বাসিন্দা অনিকের আত্মহত্যার পেছনে প্রেমের বিচ্ছেদ?

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত পাওয়ার ঘটনা: সিলেটের বাসিন্দা অনিকের আত্মহত্যার পেছনে প্রেমের বিচ্ছেদ?

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার চানখাঁরপুলের একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনিক চন্দ্র পাল (২১) ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পুলিশের ধারণা, প্রেমের বিচ্ছেদের পর আত্মহত্যা করতে পারেন তিনি। সিলেটের শিবপুর উপজেলার বাসিন্দা অনিকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়া হয়

ঢাকার বংশাল থানাধীন চানখাঁরপুল এলাকার একটি ছাত্র মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থী অনিক চন্দ্র পাল (২১) ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় বি কে গাঙ্গুলী লেনের মেস থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে প্রেমের বিচ্ছেদের কারণে আত্মহত্যা করার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ২১ বছর বয়সী অনিক চন্দ্র পাল (জবি, ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগ) ঝুলন্ত অবস্থায় মৃত পাওয়ার ঘটনা ঘটে চানখাঁরপুলের একটি মেসে।
  • 📌 ১৪ সেপ্টেম্বর থেকে অনিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না; ১৫ সেপ্টেম্বর রাত ৯টায় সহপাঠীরা তার রুমে গিয়ে দেখতে পান গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে থাকা তার মরদেহ।
  • 📌 দু’দিন আগে প্রেমিকার সাথে বিচ্ছেদের পর অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়; এরপর থেকে তিনি একা চুপচাপ থাকতেন।
  • 📌 মেসের চিরকুটে লেখা আছে: “চোখে ভালো দেখতে পারছিলাম না, জানতাম কিছুদিন পর অন্ধ হয়ে যাব”।
  • 📌 ১০ বছর বয়সী মোছা. কামরুন্নাহার কলি (পাবনা সদর) নিখোঁজ থাকার ৭ দিন পর বাড়ির পাশের ডোবা থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

📰 বিস্তারিত

সিলেট জেলার শিবপুর উপজেলার বাসিন্দা অনিক চন্দ্র পাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি ড্রয়িং ও পেইন্টিং বিভাগে পড়তেন। মেস সদস্য জয় ভূঁইয়া জানান, সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) থেকে অনিকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাত ৯টায় তার এক ব্যাচমেট তাকে ফোন না পেয়ে মেসে তার রুমে গিয়ে দেখতে বলেন। পরে তারা দুজন মিলে রুমে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ দরজায় কড়া নাড়লেও কোনো সাড়া পাননি। জয় ভূঁইয়া বলেন, দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। জানালার কাচ ভেঙে ভেতরে তাকিয়ে অনিককে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ফ্যানের সঙ্গে ঝুলতে দেখা যায়।

অনিকের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সহপাঠীদের সূত্রে জানা যায়, দু’দিন আগে অনিকের সঙ্গে তার প্রেমিকার বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর থেকে অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। এরপর থেকেই তিনি মেসে একা চুপচাপ থাকতে শুরু করেন।

ঘটনার খবর পেয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এবং সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল দ্রুত ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছান। তিনি বলেন, ‘স্টুডেন্টরা আমাকে ঘটনা জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছাই। কিন্তু ততক্ষণে আমাদের স্টুডেন্ট আর বেঁচে ছিল না।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি ওর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি। ওর বাবার সঙ্গেও কথা হয়েছে। পরিবারের সদস্যরা আসার পর মেডিকেল ও থানার প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।’

বংশাল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রুবেল হোসেন জানান, মেসে অনিকের কক্ষ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। চিরকুটে তার শারীরিক অসুস্থতার কথা লেখা আছে। তিনি চোখে ভালো দেখতেন না এবং জানতেন যে, তিনি কিছুদিন পর অন্ধ হয়ে যাবেন। এসব বিষয় লেখা আছে ওই চিরকুটে। তবে পুরো ঘটনাটি আরও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

"স্টুডেন্টরা আমাকে ঘটনা জানানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই আমি ঢাকা মেডিকেলে পৌঁছাই। কিন্তু ততক্ষণে আমাদের স্টুডেন্ট আর বেঁচে ছিল না।"
"মেসে অনিকের কক্ষ থেকে একটি চিরকুট উদ্ধার করা হয়েছে। চিরকুটে লেখা আছে, ‘চোখে ভালো দেখতে পারছিলাম না, জানতাম কিছুদিন পর অন্ধ হয়ে যাব’।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: চানখাঁরপুল, ঢাকা (মেস) ও পাবনা সদর (ডোবা)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অনিক চন্দ্র পাল (২১), জয় ভূঁইয়া, সুবাস পাল, মো. রুবেল হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২১ বছর, ১৫ সেপ্টেম্বর, ৯ টা রাত, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ, ১৪ সেপ্টেম্বর, ১০ বছর, ১৬ সেপ্টেম্বর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖