📅 ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২:০৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ঈশ্বরগঞ্জে জমি বিরোধের সহিংসতায় শতবর্ষী বাড়ি ধ্বংস, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ২৮ জন

ঈশ্বরগঞ্জে জমি বিরোধের সহিংসতায় শতবর্ষী বাড়ি ধ্বংস, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন ২৮ জন

📷 ছবি: নয়া দিগন্ত

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 Naya Diganta ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে দীর্ঘদিনের জমি বিরোধের জেরে ঘটে যাওয়া হত্যা ও সহিংসতায় শতবর্ষী একটি বাগানবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ঘটনায় পরিবারের ২৮ সদস্য এক বছর ধরে পালিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার কর্মা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘটে যাওয়া সহিংসতায় শতবর্ষী একটি বাগানবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ঘটনায় পরিবারের ২৮ সদস্য এক বছর ধরে পালিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে জমি বিরোধের জেরে শতবর্ষী বাগানবাড়ি ধ্বংস
  • 📌 ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে হামলায় মোসলেম উদ্দিনের চোখ নষ্ট হয়ে যায়
  • 📌 ২০২৫ সালের ৩ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষে খোকন মিয়া নিহত
  • 📌 শতবর্ষী বাড়িটি ভেঙে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হয়েছে
  • 📌 পরিবারের ২৮ সদস্য এক বছর ধরে পালিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন

📰 বিস্তারিত

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার মগটুলা ইউনিয়নের কর্মা গ্রামে দীর্ঘদিন ধরে চলা জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ঘটে যাওয়া সহিংসতায় শতবর্ষী একটি বাগানবাড়ি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এ ঘটনায় পরিবারের ২৮ সদস্য এক বছর ধরে পালিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। পরিবারের অন্তত ১০ জন স্কুল ও মাদরাসা শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।

২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে কছুম উদ্দিনের ছেলেরা দলবল নিয়ে গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে হামলা করলে গিয়াসের বড় ছেলে মোসলেম উদ্দিনের বাম চোখে রামদার কোপ লাগে। পরে ওই চোখটি চিরতরে নষ্ট হয়ে যায়। গত বছরের ৩ অক্টোবর রাত ৯টার দিকে গিয়াস ও কছুম উদ্দিনের ছেলেদের মধ্যে আবার সংঘর্ষ হয়। এতে উভয়পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হন। খোকন মিয়া নামের একজন নিহত হন।

এ ঘটনার পর কছুম উদ্দিনের ছেলেরা গিয়াসের বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। ওই সময় গিয়াসের ছেলেদের চারটি হাফ বিল্ডিং ও পাঁচটি টিনের ঘর ভেঙে লুটপাট করা হয়। ঘরের সব জিনিসপত্র লুটপাট করার পাশাপাশি একটি একটি করে ইট পর্যন্ত খুলে নেয়া হয়। কেটে নেয়া হয় অর্ধশতাধিক গাছ। ছেলেদের এমন কর্মকাণ্ডে হতাশ হয়ে পড়েন নিহত খোকনের বাবা কছুম উদ্দিন। এই হতাশা থেকেই তিনি ২০২৬ সালের জুলাই মাসে আত্মহত্যা করেন।

গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মুফতি এখলাছ উদ্দিন জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে প্রায়ই তাদের বাড়িতে হামলা করা হতো। বেশ কয়েকবার চুরি ও ডাকাতির ঘটনাও ঘটিয়েছে তারা। তিনি অভিযোগ করেন, তাদের শতবর্ষী বাগানবাড়িতে হামলা চালিয়ে বুলডোজার দিয়ে ভেঙে লুটপাট করা হয়েছে। প্রায় আড়াই কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

"আসামিরা যদি জামিনে থাকেন, তাহলে বাড়িতে থাকার অধিকার অবশ্যই আছে। আর যারা আসামি নন, তারা তো বাড়িতেই থাকার কথা।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: কর্মা গ্রাম, মগটুলা ইউনিয়ন, ঈশ্বরগঞ্জ, ময়মনসিংহ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুফতি এখলাছ উদ্দিন, মোসলেম উদ্দিন, খোকন মিয়া
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৮ জন, ১০ জন শিক্ষার্থী, ৭০-ঊর্ধ্ব রেজিয়া খাতুন

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖