📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিস্তারে দিনে ৩০ থেকে ৩৫টি নতুন সাইট চালু, পুলিশের হিসাবেই ৫৮৬টি সক্রিয়

অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিস্তারে দিনে ৩০ থেকে ৩৫টি নতুন সাইট চালু, পুলিশের হিসাবেই ৫৮৬টি সক্রিয়

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 দেশে অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিস্তার থামছে না। পুলিশের তথ্যমতে, প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি নতুন জুয়ার ওয়েবসাইট চালু হচ্ছে। বর্তমানে দেশে ৫৮৬টি জুয়ার সাইট সক্রিয় রয়েছে। এসব সাইটে দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন হচ্ছে

বাংলাদেশে অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিস্তার দিন দিন বেড়েই চলেছে। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, দেশে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি নতুন জুয়ার ওয়েবসাইট চালু হচ্ছে। ফলে বর্তমানে দেশে মোট ৫৮৬টি জুয়ার সাইট সক্রিয় রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 দেশে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি নতুন জুয়ার ওয়েবসাইট চালু হচ্ছে
  • 📌 বর্তমানে দেশে সক্রিয় রয়েছে ৫৮৬টি জুয়ার সাইট
  • 📌 অনলাইন জুয়ার অবৈধ লেনদেনে ব্যবহৃত হচ্ছে ৩ হাজার ৮৬৪টি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট
  • 📌 দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন হচ্ছে জুয়ার ওয়েবসাইটগুলোতে
  • 📌 গত ৬ মে থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে প্রায় ৫৮৬টি অনলাইন জুয়ার সাইট সক্রিয় ছিল
  • 📌 জুয়ার ওয়েবসাইটগুলোর নিয়ন্ত্রণ করা হয় রাশিয়া, চীন, হংকং, ভিয়েতনাম ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে

📰 বিস্তারিত

একটি জুয়ার ওয়েবসাইট বন্ধ হওয়ার পরপরই নতুন নামে আবার চালু হচ্ছে সেই জুয়ার কার্যক্রম। এভাবে প্রতিদিন গড়ে ৩০ থেকে ৩৫টি নতুন জুয়ার সাইট চালু হচ্ছে দেশে। ফলে অবৈধ অনলাইন জুয়ার বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সূত্র অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ৫৮৬টি জুয়ার সাইট সক্রিয় রয়েছে। এসব সাইটে অবৈধ লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে ৩ হাজার ৮৬৪টি মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট। এছাড়া ব্যবহৃত হচ্ছে ১৯৮টি ব্যাংক হিসাব। এসব অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে দৈনিক ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা অবৈধ লেনদেন হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের তথ্যানুযায়ী, গত ১ মে থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত দেশে প্রায় ৫৮৬টি অনলাইন জুয়ার সাইট সক্রিয় ছিল। এসব সাইটে জুয়ার লেনদেনে ব্যবহৃত হচ্ছে অসংখ্য এজেন্ট নম্বর। জুয়াড়িরা বিভিন্ন এমএফএস কোম্পানির ব্যক্তিদের সঙ্গে কারসাজি করে এই এজেন্ট নম্বর সংগ্রহ করে। আবার কেউ কেউ দৈনিক এজেন্ট নম্বর ভাড়া নিয়ে জুয়ার টাকা সংগ্রহ করে।

"জুয়ার ওয়েবসাইটগুলোর বেশির ভাগ নিয়ন্ত্রণ করা হয় রাশিয়া, চীন, হংকং, ভিয়েতনাম এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে।"

সিআইডির সাইবার পুলিশ সেন্টারের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. সাইফউদ্দীন শাহীন জানিয়েছেন, তাদের সাইবার প্যাট্রল টিম নিয়মিত এসব জুয়ার সাইট মনিটরিং করে। তারা দৈনিক যেসব জুয়ার সাইট পায়, সেগুলো বন্ধ করতে নিয়মিত বিটিআরসিকে তথ্য ও তালিকা দেওয়া হয়। তবে জুয়ার ওয়েবসাইট ও অ্যাপস নিয়মিত বন্ধের পরও নতুন সাইট চালু হওয়ায় অনলাইন জুয়া একেবারে বন্ধ করা যাচ্ছে না।

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: সজীব চক্রবর্তী, জসীম উদ্দীন, মো. কামরুজ্জামান, পুলিশের কর্মকর্তারা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ থেকে ৩৫টি (নতুন সাইট), ৫৮৬টি (সক্রিয় সাইট), ৩ হাজার ৮৬৪টি (মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্ট), ৩০০ থেকে ৫০০ কোটি টাকা (দৈনিক লেনদেন)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖