📌 পিরোজপুরের মানব পাচার প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনাল পাঁচ আসামিকে মানব পাচার আইনের মামলায় দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করেছে। আদালতের রায়ে আরও উল্লেখ করা হয়, অর্থদণ্ড অনাদায়ে আসামিদের ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে
পিরোজপুরের মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের অধীনে পরিচালিত মামলায় পাঁচ আসামিকে দশ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে পিরোজপুর মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী আল মাসুদ এ রায় ঘোষণা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মানব পাচার প্রতিরোধ আইনের ৭ ধারায় অভিযুক্ত পাঁচ আসামিকে দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
- 📌 প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড
- 📌 দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন মো. কুদ্দুস, কাদের মোল্লা, মানিক, জামাল সিকদার ও পলাশ চৌধুরী
- 📌 মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল ২০১৪ সালের ৩ জুন মঠবাড়িয়া থানায়
- 📌 আদালতের রায়ে রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষ্য-প্রমাণকে সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত বলে উল্লেখ
📰 বিস্তারিত
পিরোজপুরের মানব পাচার প্রতিরোধ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মেহেদী আল মাসুদ মঙ্গলবার বিকেলে মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনের অধীনে পরিচালিত মামলায় পাঁচ আসামিকে দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা আরোপ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অর্থদণ্ড অনাদায়ে প্রত্যেককে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে জামাল সিকদার ওরফে জিয়া এবং পলাশ চৌধুরী আদালতে উপস্থিত থাকায় তাদের সাজা পরোয়ানামূলে পিরোজপুর জেলা কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাদের দণ্ড কার্যকর হবে আদালতের রায় ঘোষণার দিন থেকেই। অন্যদিকে, পলাতক তিন আসামি মো. কুদ্দুস, কাদের মোল্লা ও মানিকের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। তাদের ক্ষেত্রে গ্রেপ্তার বা আদালতে আত্মসমর্পণের দিন থেকে সাজা কার্যকর হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলাটি দায়ের করা হয়েছিল ২০১৪ সালের ৩ জুন মঠবাড়িয়া থানায়। মানব পাচার প্রতিরোধ আইনের ৭ ধারায় অভিযুক্ত আসামিদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণকে আদালত সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত বলে উল্লেখ করেন। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি এবং আসামিপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মানস কুমার বৈরাগী।
"রাষ্ট্রপক্ষের উপস্থাপিত সাক্ষ্য-প্রমাণে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। এ কারণে প্রত্যেককে দশ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পিরোজপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মেহেদী আল মাসুদ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ জন আসামি, ১০ বছর কারাদণ্ড, ৫ লাখ টাকা জরিমানা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!