📌 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা জোরদারে ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। থানা ভবন নির্মাণ থেকে শুরু করে ই-পাসপোর্ট ও সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় ব্যয় হবে প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা। প্রকল্পগুলো পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও অন্যান্য বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশ পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে এসব প্রকল্প পরিচালিত হবে। প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা
- 📌 থানা ভবন নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ১৬ হাজার ২৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা, সমাপ্তি ২০২৭ সালের জুনে
- 📌 পুলিশ অবকাঠামো প্রকল্পের ব্যয় ৭ হাজার ৭৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, সমাপ্তি ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বরে
- 📌 ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের ব্যয় ৯ হাজার ৩৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা
- 📌 র্যাব সদর দপ্তর নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ৫ হাজার ৪৫৬ কোটি ৫৪ লাখ টাকা
📰 বিস্তারিত
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা উইং-১-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ২৫টি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে। প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আধুনিকীকরণ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জরুরি সাড়াদান ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটানো হবে। প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে থানা ভবন নির্মাণ, পুলিশ অবকাঠামো উন্নয়ন, ই-পাসপোর্ট ব্যবস্থা চালু, সাইবার অপরাধ তদন্ত শক্তিশালীকরণ এবং সীমান্ত ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন।
সবচেয়ে বড় প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত থানা ভবন নির্মাণ প্রকল্পটির প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ১৬ হাজার ২৪০ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন স্থানে থানা ভবন কাম ব্যারাক নির্মাণ করা হবে, যার সমাপ্তির সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত। অন্যদিকে পুলিশ অবকাঠামো সংক্রান্ত প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৭৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা, যা ২০২৮ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ শেষ হবে। প্রকল্পটির আওতায় থানা, পুলিশ ফাঁড়ি, তদন্ত কেন্দ্র, ক্যাম্প, নৌ-পুলিশ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হবে।
সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। ‘সেফার সাইবার স্পেস ফর ডিজিটাল বাংলাদেশ’ প্রকল্পটির মাধ্যমে পুলিশের সাইবার অপরাধ তদন্ত সক্ষমতা বৃদ্ধি করা হবে। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৯০ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। এছাড়া ই-পাসপোর্ট ও স্বয়ংক্রিয় সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালুর লক্ষ্যে পরিচালিত প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৩৮ কোটি ৩৬ লাখ টাকা। প্রকল্পটির মাধ্যমে পাসপোর্ট সেবা আরও ডিজিটাল এবং সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা আরও কার্যকর করা হবে।
"স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত প্রকল্পগুলো দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। প্রযুক্তিনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্প্রসারণের মাধ্যমে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫টি প্রকল্প, প্রায় ৫৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!