📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:২৯ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

প্রবাসীদের নথি বৈধকরণে অভিন্ন নির্দেশনা জারির নির্দেশ চেয়ে হাইকোর্টে রুল

প্রবাসীদের নথি বৈধকরণে অভিন্ন নির্দেশনা জারির নির্দেশ চেয়ে হাইকোর্টে রুল

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রবাসীদের নথি সত্যায়নে অভিন্ন নির্বাহী নির্দেশনা জারি ও বাস্তবায়নে ব্যর্থতার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রুল জারি করেছেন বিচারপতিরা। প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভোগান্তি নিরসনে হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন বাস্তবায়নের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে

প্রবাসীদের নথি (বিবাহ নিবন্ধন, জন্মসনদ, শিক্ষাগত সনদ ইত্যাদি) বৈধকরণে অভিন্ন নির্বাহী নির্দেশনা জারি ও তা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রুল জারি করেছেন বিচারপতিরা। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ রুল প্রদান করেন।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রবাসীদের নথি বৈধকরণে অভিন্ন নির্বাহী নির্দেশনা জারি ও তা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রুল জারি
  • 📌 অ্যাপোস্টিল করা নথি বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশন কর্তৃক অতিরিক্ত বৈধকরণ চাওয়ার বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে রিট আবেদন
  • 📌 হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী উৎসরাষ্ট্রে যথাযথভাবে অ্যাপোস্টিল করা নথি অতিরিক্ত সত্যায়ন ছাড়া গ্রহণের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে
  • 📌 আইন মন্ত্রণালয়ের ২০২৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বরের সার্কুলার ও ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বরের এসআরও বাস্তবায়নের নির্দেশ চাওয়া হয়েছে

📰 বিস্তারিত

প্রবাসীদের জন্য সরকারি দলিল (বিবাহ নিবন্ধন, জন্মসনদ, শিক্ষাগত সনদ ইত্যাদি) বৈধকরণে অভিন্ন নির্বাহী নির্দেশনা জারি ও তা বাস্তবায়নে ব্যর্থতার বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রুল জারি করেছেন বিচারপতিরা। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সোমবার এ রুল প্রদান করেন।

রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে আদালত প্রবাসীদের জন্য অভিন্ন সার্কুলার, নির্বাহী নির্দেশনা ও প্রশাসনিক গাইডলাইন জারি করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চান। একই সঙ্গে অ্যাপোস্টিল করা নথি বাংলাদেশের দূতাবাস, হাইকমিশন ও কনস্যুলেটে গ্রহণ না করে অতিরিক্ত বৈধকরণ চাওয়ার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন বিচারপতিরা।

সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী নূর ই আলম প্রবাসীদের ভোগান্তি নিরসনে রিট আবেদন করেন। তাঁর অভিযোগ, বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ মিশনগুলো নথি বৈধকরণে ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতি অনুসরণ করে। কোনো কোনো মিশন অ্যাপোস্টিল করা নথি গ্রহণ করলেও অন্য মিশন অতিরিক্ত বৈধকরণ বা পাল্টা প্রত্যায়ন চায়। ফলে প্রবাসীদের একই নথির জন্য বারবার সরকারি দপ্তর ও দূতাবাসে ঘুরতে হয়।

আইনজীবী ইশরাত হাসান আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন। তিনি বলেন, হেগ অ্যাপোস্টিল কনভেনশন অনুযায়ী উৎসরাষ্ট্রে যথাযথভাবে অ্যাপোস্টিল করা পাবলিক ডকুমেন্ট অতিরিক্ত সত্যায়ন ছাড়া গ্রহণের জন্য বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের সব মিশনে অভিন্ন নির্বাহী নির্দেশনা জারি ও বাস্তবায়নে ব্যর্থতা কেন বেআইনি হবে না, তা জানতে চান।

তিনি আরও বলেন, বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি, চাকরিতে যোগদান, ভিসা প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নথির বৈধতা প্রয়োজন। অতিরিক্ত বৈধকরণের জন্য সময় ও অর্থ ব্যয় হওয়ায় অনেক ক্ষেত্রে সময়সীমা পার হয়ে যায়। এতে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের ভোগান্তি বাড়ে।

"বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিক, শিক্ষার্থী, চাকরিপ্রার্থী ও ব্যবসায়ীদের বিভিন্ন প্রয়োজনে জন্মসনদ, বিবাহসনদ, শিক্ষাগত সনদ, আদালতের নথি, পাওয়ার অব অ্যাটর্নি এবং অন্যান্য সরকারি দলিল বাংলাদেশে ব্যবহার করতে হয়। নথিগুলো উৎসরাষ্ট্রে আইন অনুযায়ী নোটারাইজড ও অ্যাপোস্টিল করার পরও অনেক ক্ষেত্রে বাংলাদেশ মিশন থেকে আবার সত্যায়ন বা পাল্টা সত্যায়ন নিতে বলা হয়। ফলে একই নথি নিয়ে একজন ব্যক্তিকে একাধিক সরকারি দপ্তর, নোটারি, অ্যাপোস্টিল কর্তৃপক্ষ এবং বাংলাদেশ মিশনে ঘুরতে হয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি আহমেদ সোহেল, বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৩ (সেপ্টেম্বর ২০২৩), ১০ (ডিসেম্বর ২০২৪)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖