📌 জাতীয় পতাকার বিধিবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে হাইকোর্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের চেয়ার-সোফায় পতাকা ব্যবহারের বৈধতা যাচাইয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে
সরকারি দপ্তর ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তাদের ব্যবহৃত চেয়ার ও সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন বা উত্তোলনের বৈধতা যাচাইয়ে তিন সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাদের চেয়ার-সোফায় জাতীয় পতাকা ব্যবহারের বৈধতা যাচাইয়ে হাইকোর্ট তিন সদস্যের কমিটি গঠনের আদেশ দিয়েছেন
- 📌 কমিটিতে রয়েছেন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিনিধি
- 📌 কমিটিকে ৬০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে
- 📌 রিট আবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় পতাকা বিধিমালা অনুযায়ী অফিসকক্ষে পতাকা প্রদর্শনের সুযোগ নেই
📰 বিস্তারিত
জাতীয় পতাকার বিধিবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে হাইকোর্টে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ তিন সদস্যের কমিটি গঠনের আদেশ দেন। কমিটিতে রয়েছেন একজন বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তা, সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন প্রতিনিধি।
রিট আবেদনকারীর আইনজীবী এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী জানান, সরকারি দপ্তর ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থার কর্মকর্তাদের চেয়ার ও সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন বা উত্তোলন ১৯৭২ সালের জাতীয় সংগীত, পতাকা ও প্রতীক আদেশ এবং পতাকা বিধিমালার পরিপন্থী। তিনি বলেন, বিধিমালায় জাতীয় পতাকার মর্যাদা ও ভাবমূর্তি রক্ষার কথা উল্লেখ রয়েছে।
আইনজীবী সানজীদ সিদ্দিকী আরও জানান, ১৯৭২ সালের পতাকা বিধিমালায় সরকারি গুরুত্বপূর্ণ ভবন, ১৫ শ্রেণির ব্যক্তির বাসস্থান এবং আট শ্রেণির ব্যক্তির গাড়িতে জাতীয় পতাকা ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। তবে অফিসকক্ষে পতাকা প্রদর্শনের কোনো বিধান নেই।
"১৫ পদমর্যাদার ব্যক্তির বাসস্থানের মধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার ও মন্ত্রী-উপমন্ত্রীদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিধিমালায় অফিসকক্ষে পতাকা প্রদর্শনের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকার আদালত
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি আহমেদ সোহেল, বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ, এইচ এম সানজীদ সিদ্দিকী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০ দিন, ১৫ শ্রেণি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!