📌 মঙ্গলবার রাজধানী ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে একাধিকবার বৃষ্টি ও রোদের পালা চলছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টির পাশাপাশি চার বন্দরে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি করা হয়েছে
মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে একাধিকবার বৃষ্টি ও রোদের পালা চলছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্যমতে, রাজধানীর আকাশে মেঘের আনাগোনা থাকলেও তা থেকে বৃষ্টি ও রোদের দেখা মিলছে বারবার। ইতিমধ্যে দেশের উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে। চারটি বন্দরে রয়েছে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজধানী ঢাকাসহ চার বিভাগে একাধিকবার বৃষ্টি ও রোদের পালা চলছে মঙ্গলবার সকাল থেকে
- 📌 দেশের চার বন্দরে রয়েছে ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা
- 📌 উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে
- 📌 গত ২৪ ঘণ্টায় টেকনাফে সর্বোচ্চ ১৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড
- 📌 আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানিয়েছেন, নিম্নচাপ ও মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এমন আবহাওয়া বিরাজ করছে
📰 বিস্তারিত
মঙ্গলবার সকাল থেকে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের চার বিভাগে একাধিকবার বৃষ্টি ও রোদের পালা চলছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবীর জানান, নিম্নচাপের সঙ্গে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, রাজধানীতে মেঘ-বৃষ্টির পাশাপাশি রোদও দেখা দেবে একটু পরপর। এমনটা সারা দিনই চলতে পারে।
গতকাল সন্ধ্যা ৬টা থেকে আজ সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীতে মাত্র ২ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। তবে উপকূলীয় এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ ছিল অনেক বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে কক্সবাজারের টেকনাফে, যেখানে ১৮৩ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রামে ১৪৯ মিলিমিটার, নোয়াখালীতে ৪৭ মিলিমিটার, পটুয়াখালীতে ৪৭ মিলিমিটার এবং ভোলায় ৩৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, আগামীকাল বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে বৃহস্পতি বা শুক্রবার আবার বৃষ্টি বাড়তে পারে।
"নিম্নচাপের সঙ্গে মৌসুমি বায়ু সক্রিয় আছে। এর প্রভাবে এ বৃষ্টি। রাজধানীতে মেঘ–বৃষ্টির পাশাপাশি রোদও দেখা দেবে একটু পরপর। এমনটা সারা দিনই চলতে পারে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, নোয়াখালী, পটুয়াখালী, ভোলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ মিলিমিটার (ঢাকায়), ১৮৩ মিলিমিটার (টেকনাফে), ১৪৯ মিলিমিটার (চট্টগ্রামে)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!