📌 দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাসকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে অনিকোফ্যাগিয়া বলা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড শের জানিয়েছেন, এই অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। নখের নিচে থাকা জীবাণু মুখে প্রবেশ করে ডায়রিয়া ও পেটব্যথাসহ বিভিন্ন সংক্রমণের কারণ হতে পারে
দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাসকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘অনিকোফ্যাগিয়া’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েইল কর্নেল মেডিকেল কলেজের নখরোগ বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড শের জানিয়েছেন, এই অভ্যাস শুধু অস্বাস্থ্যকরই নয়, এটি স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষত, নখের নিচে জমে থাকা জীবাণু মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের ঝুঁকি তৈরি করে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাসকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘অনিকোফ্যাগিয়া’ বলা হয়
- 📌 যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েইল কর্নেল মেডিকেল কলেজের বিশেষজ্ঞ ড. রিচার্ড শের এই অভ্যাসকে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বলে উল্লেখ করেছেন
- 📌 নখের নিচে সালমোনেলা ও ই. কোলাইয়ের মতো জীবাণু জমে থাকতে পারে
- 📌 এই অভ্যাসের ফলে পরিপাকতন্ত্রে সংক্রমণ হয়ে ডায়রিয়া ও পেটব্যথা হতে পারে
- 📌 দীর্ঘদিন ধরে এই অভ্যাস থাকলে নখের চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে
📰 বিস্তারিত
দুশ্চিন্তা, একঘেয়েমি বা মনোযোগের অভাবে অনেকেই দাঁত দিয়ে নখ কাটেন। শিশু থেকে শুরু করে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যেও এই অভ্যাস দেখা যায়। ড. রিচার্ড শের জানান, নখের নিচে বিভিন্ন ধরনের জীবাণু জমে থাকে, যার মধ্যে সালমোনেলা ও ই. কোলাই অন্যতম। এই জীবাণুগুলো মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করলে পরিপাকতন্ত্রে সংক্রমণ তৈরি হতে পারে। এর ফলে ডায়রিয়া, পেটব্যথা এবং অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি হয়।
দীর্ঘদিন ধরে এই অভ্যাস থাকলে নখের চারপাশের ত্বক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চামড়া ফেটে যাওয়া বা উঠে যাওয়ার ফলে ব্যাকটেরিয়া ও ইস্ট সহজেই প্রবেশ করতে পারে। এর ফলে নখের চারপাশে ফোলাভাব, লালচে ভাব এবং পুঁজ তৈরি হয়। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে প্যারোনিচিয়া বলা হয়। সংক্রমণ গুরুতর হলে তীব্র ব্যথা ও সংবেদনশীলতা দেখা দেয়। কিছু ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধ প্রয়োজন হয়। এমনকি অস্ত্রোপচারেরও প্রয়োজন হতে পারে।
"দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। বিশেষত, নখের নিচে থাকা জীবাণু মুখের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করে বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের কারণ হতে পারে। তাই এই অভ্যাস যত দ্রুত সম্ভব বন্ধ করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: যুক্তরাষ্ট্র
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ড. রিচার্ড শের
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: সালমোনেলা ও ই. কোলাই
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!