📌 সরকার উপকূল ও চরাঞ্চলে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ভাসমান হাসপাতাল 'স্বাস্থ্য তরী' চালু করবে। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানান, বরিশাল, নোয়াখালী ও ভোলা সহ পাঁচ জেলার ৩০-৪০টি দুর্গম অঞ্চলে এই সেবা পৌঁছে যাবে
সরকারের উদ্যোগে উপকূল ও চরাঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের কাছে আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে ভাসমান হাসপাতাল ‘স্বাস্থ্য তরী’ চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঢাকার বাবুবাজার ব্রিজের নিচে এই প্রকল্পের পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত ও নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান সাংবাদিকদের সাথে আলোচনা করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 স্বাস্থ্য তরী চালু হবে বরিশাল, নোয়াখালী, ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ৩০-৪০টি দুর্গম উপজেলায়
- 📌 সেবা পাবেন: নিরাপদ প্রসব, শিশুস্বাস্থ্য, হাড়ের সার্জারি, চোখের ছানি অপারেশনসহ ৫টি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা
- 📌 সরকারি ব্যবস্থাপনায় প্রথমবারের মতো নৌ-পরিবহন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্প
- 📌 বিকল্প উপায়ে চিকিৎসা পাবেন যারা জেলা সদর বা ঢাকায় যেতে পারেন না
- 📌 পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব ড. বজলুর রশীদ ও স্বাস্থ্য শিক্ষা সচিব বেনজামিন রিয়াজী
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, “সরকারের স্বাস্থ্য পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো পিছিয়ে পড়া ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে উপকূল, দ্বীপ ও চরাঞ্চলের মানুষের কাছে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে।” তিনি জানান, এই ভাসমান হাসপাতালের মাধ্যমে দক্ষিণবঙ্গের অন্তত চার থেকে পাঁচটি জেলার ৩০ থেকে ৪০টি দুর্গম উপজেলায় জটিল রোগের আধুনিক চিকিৎসা ও সার্জারি করা সম্ভব হবে।
স্বাস্থ্য ও নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রীদ্বয় পরিদর্শনকালে ভাসমান তরী পরিদর্শন করে স্বাস্থ্য সেবার উপযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন। স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. মুহিত বলেন, “অতীতে বেসরকারি উদ্যোগে ক্ষুদ্র পরিসরে ভাসমান হাসপাতালের ভালো কিছু নজির রয়েছে। তবে সরকারি ব্যবস্থাপনায় নৌ-পরিবহন ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্পদ ও সুযোগ-সুবিধার কার্যকর সমন্বয় ঘটিয়ে এই প্রকল্প যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে।”
নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান বলেন, “বরিশাল, নোয়াখালী, ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার দুর্গম চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কাছে বিকল্প উপায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি আমাদের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা ছিল। বিশেষ করে যেসব প্রান্তিক মানুষ চিকিৎসার জন্য জেলা সদর হাসপাতাল বা ঢাকায় যেতে পারেন না, তাদের দোরগোড়াতেই সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”
"সরকারের স্বাস্থ্য পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো পিছিয়ে পড়া ও দুর্গম অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। বিশেষ করে উপকূল, দ্বীপ ও চরাঞ্চলের মানুষের কাছে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের যৌথ উদ্যোগে ভাসমান হাসপাতাল বা ‘স্বাস্থ্য তরী’ চালুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (বাবুবাজার ব্রিজ), বরিশাল, নোয়াখালী, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮ সেপ্টেম্বর, ৩০-৪০টি উপজেলা, ৫টি জেলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!