📌 সরকার ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে ইলিশ আহরণ ও বাজারজাতকরণের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। মন্ত্রণালয় সভায় ঘোষণা করা হয়, জেলেদের ভিজিএফ সহায়তা দেওয়া হবে এবং অবৈধ জাল ও আহরণ বন্ধের জন্য কঠোর অভিযান চালানো হবে
৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে সরকার দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ ও বাজারজাতকরণের নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই ২২ দিনের সময়ে ইলিশ পরিবহন, মজুদ, কেনাবেচা ও বিনিময়ও সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যেখানে মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সভাপতিত্ব করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত মা ইলিশের প্রজনন নিশ্চিত করতে ইলিশ আহরণ ও বাজারজাতকরণ নিষিদ্ধ
- 📌 ২২ দিনের এই নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
- 📌 মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না
- 📌 বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকায় নজরদারি ও অভিযান জোরদার করা হবে
- 📌 জেলেদের ভিজিএফের আওতায় খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে এবং অবৈধ জাল অপসারণে কঠোর অভিযান চালানো হবে
- 📌 প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে
📰 বিস্তারিত
মন্ত্রণালয় সভায় সিদ্ধান্ত হয়, নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসন, নৌ পুলিশ, কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেন, প্রয়োজন হলে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত নৌযান ও লজিস্টিক সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, অবৈধভাবে ধরা ইলিশ যাতে বাজারজাত করা না যায়, সেজন্য বরফকল, আড়ত ও বাজারেও নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, চাঁদপুরের মোহনাসহ ইলিশের প্রজননক্ষেত্রগুলোতে অবৈধ জাল অপসারণে কঠোর অভিযান চালানোর কথাও বলেছেন। তিনি নিশ্চিত করেন, কোনো অবস্থাতেই নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ ধরা বা বাজারজাত করার সুযোগ দেওয়া হবে না। মা ইলিশ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্ট সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে আগামী মৌসুমে ইলিশের উৎপাদন আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, ইলিশের উৎপাদন দিন দিন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। তিনি বলেন, অবৈধ জাল বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে নিষিদ্ধ জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। জেলে প্রতিনিধিদেরও এসব জাল না কেনার বিষয়ে জেলেদের সচেতন করতে হবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, নিষেধাজ্ঞার সময়ে জেলেদের দেওয়া সরকারি সহায়তা যেন প্রকৃত জেলেদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তদারকি বাড়ানোর কথাও জানান।
সভায় উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান মো. মীর হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক এবং বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. লতিফুল ইসলামসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার প্রতিনিধিরা। জেলা প্রশাসন, র্যাব, কোস্টগার্ড, বিমান বাহিনী, নৌ পুলিশ, বিজিবি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় মৎস্যজীবী সমিতির প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।
"মা ইলিশের টেকসই উৎপাদন নিশ্চিত করতে মা ইলিশ রক্ষায় কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। বরিশাল, চাঁদপুর ও ভোলাসহ ইলিশের প্রধান প্রজনন এলাকাগুলোতে নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।"
"ইলিশের উৎপাদন কমে যাওয়ার কারণ গবেষণার মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। অবৈধ জাল বন্ধের ওপর গুরুত্ব দিয়ে নিষিদ্ধ জাল উৎপাদন ও বিক্রি বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (মন্ত্রণালয় সভা), বরিশাল, চাঁদপুর, ভোলা, মোহনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, মো. দেলোয়ার হোসেন, মো. মীর হোসেন, ড. মো. খালেদ কনক, ড. মো. লতিফুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ অক্টোবর থেকে ২৯ অক্টোবর (২২ দিন), ১৫ সেপ্টেম্বর (সভা তারিখ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!