📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৯:৩৬ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সরকার নিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার কমিশন গঠনের উদ্যোগের বিরুদ্ধে অধিকারের সতর্কবার্তা

সরকার নিয়ন্ত্রিত মানবাধিকার কমিশন গঠনের উদ্যোগের বিরুদ্ধে অধিকারের সতর্কবার্তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬-এর খসড়া পাস হলে কমিশন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার। তারা জানিয়েছে, খসড়া আইনে প্যারিস নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি এবং সদস্য নিয়োগে সরকারি প্রভাব বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬-এর খসড়া সংসদে পাস হলে স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হিসেবে এর কার্যক্রম পরিচালনা করা সম্ভব হবে না বলে মনে করছে মানবাধিকার সংগঠন অধিকার। রোববার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সংগঠনটি জানায়, ১০ আগস্ট মন্ত্রিসভা অনুমোদিত খসড়া আইনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্যারিস নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০২৬-এর খসড়া আইনে প্যারিস নীতিমালা অনুসরণ না করার অভিযোগ অধিকার-এর
  • 📌 খসড়া আইনের ১৯ ধারায় মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তদন্তে কমিশনের স্বাধীনতা খর্ব হওয়ার আশঙ্কা
  • 📌 সদস্য নিয়োগে সরকারি প্রভাব বৃদ্ধির আশঙ্কা — বাছাই কমিটিতে সরকার-সংশ্লিষ্টদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা
  • 📌 প্যারিস নীতিমালা অনুযায়ী কমিশনের সদস্য নিয়োগে বহুত্ববাদী প্রতিনিধিত্বের অভাব

📰 বিস্তারিত

অধিকার জানায়, ফ্যাসিবাদী শাসনামলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করলেও গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার প্যারিস নীতিমালা অনুসারে শক্তিশালী কমিশন গঠনের লক্ষ্যে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করেছিল। তবে বিএনপি সরকার সেই অধ্যাদেশকে সংসদে বিল হিসেবে উপস্থাপন না করায় তা ল্যাপসড হয়ে যায়।

সংগঠনটির বিবৃতিতে বলা হয়, নতুন খসড়া আইনে প্রস্তাবিত ৯ সদস্যের বাছাই কমিটিতে জাতীয় সংসদের স্পিকার, সরকারের দুজন মন্ত্রী, সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব রয়েছেন। এ ছাড়া অন্য চার সদস্যের মধ্যে দুজন রাষ্ট্রপতি এবং একজন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন কর্তৃক মনোনীত হবেন। ফলে বাছাই কমিটির নয় সদস্যের মধ্যে আটজনই সরকার-সংশ্লিষ্ট হবেন বলে দাবি করেছে অধিকার।

একই সঙ্গে কমিটিতে নারীর আলাদা প্রতিনিধিত্বের বিধান না থাকাকেও বৈষম্যমূলক বলেছে সংগঠনটি। অধিকার মনে করে, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশের তুলনায় নতুন খসড়ায় আনা এসব পরিবর্তন একটি স্বাধীন ও কার্যকর মানবাধিকার কমিশন প্রতিষ্ঠার জন-আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।

"খসড়া আইনের মাধ্যমে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার প্রচেষ্টা মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারবে না।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অধিকার-এর মুখপাত্র
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: নয়

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖